শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল ইসলাম।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পূজামণ্ডপ গুলোতে এ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে তিনি ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর বাজার পূজা মন্দির, শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ডোমরা পূর্বপাড়া পূজা মন্দির, শ্রীফলতলা চৌধুরীবাড়ী পূজা মন্দির, সনাতনী জাগরণী সংঘ পূজা মন্দির, জোয়ার সার্বজনীন পূজা মন্দির এবং আইচগাতী ইউনিয়নের রাজাপুর পূর্বপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির ও রাজাপুর শীতলাবাড়ি সার্বজনীন পূজা মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি মণ্ডপ ঘুরে দেখেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহামুদ হোসাইন রাজু ও রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আব্দুস সবুর খান।
পরিদর্শনকালে ইউএনও মো. রিফাতুল ইসলাম পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আলোকসজ্জা, প্রতিমা তৈরির কাজের অগ্রগতি এবং ভক্তদের যাতায়াতের সুবিধা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন এবং সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, "শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব যাতে নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
ইউএনও আরও বলেন, কোনো ধরনের গুজব বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য প্রশাসন সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার যে কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
পরিদর্শনকালে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা জানান, নবাগত ইউএনও’র সরাসরি মণ্ডপ পরিদর্শনের ফলে তাদের মধ্যে উৎসাহ ও নিরাপত্তাবোধ বেড়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবার রূপসা উপজেলায় মোট ৭৬টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপেই সরকারি অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ণ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল ইসলাম।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পূজামণ্ডপ গুলোতে এ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে তিনি ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর বাজার পূজা মন্দির, শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ডোমরা পূর্বপাড়া পূজা মন্দির, শ্রীফলতলা চৌধুরীবাড়ী পূজা মন্দির, সনাতনী জাগরণী সংঘ পূজা মন্দির, জোয়ার সার্বজনীন পূজা মন্দির এবং আইচগাতী ইউনিয়নের রাজাপুর পূর্বপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির ও রাজাপুর শীতলাবাড়ি সার্বজনীন পূজা মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি মণ্ডপ ঘুরে দেখেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহামুদ হোসাইন রাজু ও রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আব্দুস সবুর খান।
পরিদর্শনকালে ইউএনও মো. রিফাতুল ইসলাম পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আলোকসজ্জা, প্রতিমা তৈরির কাজের অগ্রগতি এবং ভক্তদের যাতায়াতের সুবিধা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন এবং সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, "শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব যাতে নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
ইউএনও আরও বলেন, কোনো ধরনের গুজব বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য প্রশাসন সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার যে কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
পরিদর্শনকালে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা জানান, নবাগত ইউএনও’র সরাসরি মণ্ডপ পরিদর্শনের ফলে তাদের মধ্যে উৎসাহ ও নিরাপত্তাবোধ বেড়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবার রূপসা উপজেলায় মোট ৭৬টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপেই সরকারি অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
