খুলনার রূপসা উপজেলায় নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোঃ রিফাতুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি রূপসাবাসীর উদ্দেশে এক খোলা বার্তায় সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
নবাগত ইউএনও তার বার্তায় বলেন, "প্রিয় রূপসা উপজেলাবাসী, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে এবং সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমি আপনাদের নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা, সুশাসন ও সেবার মানোন্নয়নে আপনাদের সহায়তা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।
তিনি আরও বলেন, "জাতীয় নীতি, সরকারি সেবা ও জনগণের সমস্যা সমাধানে সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকবো। যে কোনো জনস্বার্থে, যে কোনো মানুষের জন্য, আমার দরজা সবসময় খোলা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই তিনি বেশ তৎপর। ইতোমধ্যে তিনি উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। উপজেলার সার্বিক চিত্র, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং প্রধান সমস্যাগুলো সম্পর্কে তিনি খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, একজন সৎ, দক্ষ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে ইতোমধ্যে তার সুনাম রয়েছে। রূপসার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শিল্প-সমৃদ্ধ উপজেলায় তার যোগদানে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয় সুধীজনের মতে, রূপসা উপজেলায় দীর্ঘদিনের কিছু সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে ভূমি সেবায় হয়রানি, যানজট, জলাবদ্ধতা, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের মতো বিষয়গুলোতে কঠোর প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। নবাগত ইউএনও এসব বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা করছেন তারা।
এদিকে নবাগত ইউএনও মোঃ রিফাতুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে চারটি বিষয়ে- ১. শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি সেবা নিশ্চিত করা, ২. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, ৩. সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ৪. একটি দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলা।
তিনি আরও জানান, জনগণের ভোগান্তি কমাতে প্রতি সপ্তাহে গণশুনানি, উপজেলা পরিষদে ওপেন ডোর ডে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিদর্শন এবং বাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযান জোরদার করা হবে।
উপজেলা পরিষদের এক কর্মকর্তা বলেন, "স্যার খুবই আন্তরিক। তিনি চান, কোনো মানুষ যেন সরকারি দপ্তরে এসে ফিরে না যায়।
রূপসা উপজেলার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন ইউএনও’র হাত ধরে রূপসা একটি মডেল, স্মার্ট ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে উঠবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ণ
খুলনার রূপসা উপজেলায় নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোঃ রিফাতুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি রূপসাবাসীর উদ্দেশে এক খোলা বার্তায় সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
নবাগত ইউএনও তার বার্তায় বলেন, "প্রিয় রূপসা উপজেলাবাসী, আপনাদের পাশে দাঁড়াতে এবং সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমি আপনাদের নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা, সুশাসন ও সেবার মানোন্নয়নে আপনাদের সহায়তা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।
তিনি আরও বলেন, "জাতীয় নীতি, সরকারি সেবা ও জনগণের সমস্যা সমাধানে সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকবো। যে কোনো জনস্বার্থে, যে কোনো মানুষের জন্য, আমার দরজা সবসময় খোলা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই তিনি বেশ তৎপর। ইতোমধ্যে তিনি উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। উপজেলার সার্বিক চিত্র, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং প্রধান সমস্যাগুলো সম্পর্কে তিনি খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, একজন সৎ, দক্ষ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে ইতোমধ্যে তার সুনাম রয়েছে। রূপসার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শিল্প-সমৃদ্ধ উপজেলায় তার যোগদানে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয় সুধীজনের মতে, রূপসা উপজেলায় দীর্ঘদিনের কিছু সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে ভূমি সেবায় হয়রানি, যানজট, জলাবদ্ধতা, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের মতো বিষয়গুলোতে কঠোর প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। নবাগত ইউএনও এসব বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা করছেন তারা।
এদিকে নবাগত ইউএনও মোঃ রিফাতুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে চারটি বিষয়ে- ১. শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি সেবা নিশ্চিত করা, ২. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, ৩. সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ৪. একটি দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলা।
তিনি আরও জানান, জনগণের ভোগান্তি কমাতে প্রতি সপ্তাহে গণশুনানি, উপজেলা পরিষদে ওপেন ডোর ডে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিদর্শন এবং বাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযান জোরদার করা হবে।
উপজেলা পরিষদের এক কর্মকর্তা বলেন, "স্যার খুবই আন্তরিক। তিনি চান, কোনো মানুষ যেন সরকারি দপ্তরে এসে ফিরে না যায়।
রূপসা উপজেলার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন ইউএনও’র হাত ধরে রূপসা একটি মডেল, স্মার্ট ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে উঠবে।
