সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে নির্যাতন, নিয়মিত বেতন না পাওয়া এবং অতিরিক্ত কাজের চাপে থাকার অভিযোগ করেছেন হবিগঞ্জের মাধবপুরের গৃহবধূ রেহেনা খাতুন। গোপনে পাঠানো এক ভিডিওবার্তায় তিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন। পরিবারের দাবি, দেশে ফেরার কথা বললে তার কাছে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে জেদ্দার আলহাদা এলাকায় একটি বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছেন রেহেনা। তিনি মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের কোনাবাড়ী মহল্লার বাসিন্দা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রেহেনা গোপনে তার অবস্থান ও পরিস্থিতির একটি ভিডিও সাংবাদিকদের কাছে পাঠান। ভিডিওতে তিনি জানান, শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাচ্ছেন না। নানা ধরনের চাপ ও কষ্টের মধ্যে দিন কাটছে বলেও অ/ভিযোগ করেন তিনি।
ভিডিওবার্তায় রেহেনা বলেন, তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং তিনি দেশে ফিরতে চান। নিয়মিত বেতন-ভাতা না পাওয়ার পাশাপাশি কাজের চাপ ও মানসিক চাপের কথাও জানান তিনি। নিরাপদে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আকুতি জানান এই প্রবাসী নারী।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সৌদি আরবে যাওয়ার পর থেকেই রেহেনাকে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হচ্ছে। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগও সীমিত করে দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। দেশে ফিরতে চাইলে তাকে কয়েক লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা।
রেহেনার স্বামী আলী আহমদ সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তার স্ত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
রেহেনাকে সৌদি আরবে পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দালাল হিসেবে গিয়াস উদ্দিনের নাম জানিয়েছে পরিবার। অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু খরচ বহন করলে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব।
এদিকে সংশ্লিষ্ট জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জেনিয়া ওভারসিসের কর্মকর্তা হাসান মিয়া নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, দেশে ফিরতে হলে নির্দিষ্ট খরচ বহন করতে হবে।
রেহেনাকে দেশে ফেরানো এবং অভিযোগের তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তার স্বামী। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে নির্যাতন, নিয়মিত বেতন না পাওয়া এবং অতিরিক্ত কাজের চাপে থাকার অভিযোগ করেছেন হবিগঞ্জের মাধবপুরের গৃহবধূ রেহেনা খাতুন। গোপনে পাঠানো এক ভিডিওবার্তায় তিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন। পরিবারের দাবি, দেশে ফেরার কথা বললে তার কাছে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে জেদ্দার আলহাদা এলাকায় একটি বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছেন রেহেনা। তিনি মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের কোনাবাড়ী মহল্লার বাসিন্দা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রেহেনা গোপনে তার অবস্থান ও পরিস্থিতির একটি ভিডিও সাংবাদিকদের কাছে পাঠান। ভিডিওতে তিনি জানান, শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাচ্ছেন না। নানা ধরনের চাপ ও কষ্টের মধ্যে দিন কাটছে বলেও অ/ভিযোগ করেন তিনি।
ভিডিওবার্তায় রেহেনা বলেন, তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং তিনি দেশে ফিরতে চান। নিয়মিত বেতন-ভাতা না পাওয়ার পাশাপাশি কাজের চাপ ও মানসিক চাপের কথাও জানান তিনি। নিরাপদে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আকুতি জানান এই প্রবাসী নারী।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সৌদি আরবে যাওয়ার পর থেকেই রেহেনাকে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হচ্ছে। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগও সীমিত করে দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। দেশে ফিরতে চাইলে তাকে কয়েক লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা।
রেহেনার স্বামী আলী আহমদ সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তার স্ত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
রেহেনাকে সৌদি আরবে পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দালাল হিসেবে গিয়াস উদ্দিনের নাম জানিয়েছে পরিবার। অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু খরচ বহন করলে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব।
এদিকে সংশ্লিষ্ট জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জেনিয়া ওভারসিসের কর্মকর্তা হাসান মিয়া নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, দেশে ফিরতে হলে নির্দিষ্ট খরচ বহন করতে হবে।
রেহেনাকে দেশে ফেরানো এবং অভিযোগের তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তার স্বামী। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
