জামালপুর সদর উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে পরিচালিত ‘এম আর বি ব্রিকস’ নামের একটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পিয়ারপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধ ফিক্সড চিমনি ব্যবহার করে ‘এম আর বি ব্রিকস’ দীর্ঘদিন ধরে ইট প্রস্তুত ও ভাটার কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হায়দারের নেতৃত্বে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানকালে ভাটার মালিক বা পরিচালনা পর্ষদের কাউকেই ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে অবৈধ ওই ইটভাটাটি ভেঙে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় পরিবেশ অধিদপ্তর জামালপুরের সহকারী পরিচালকসহ বাংলাদেশ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস দল উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।
জনস্বার্থ ও পরিবেশ সুরক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এমন কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ণ
জামালপুর সদর উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে পরিচালিত ‘এম আর বি ব্রিকস’ নামের একটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পিয়ারপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধ ফিক্সড চিমনি ব্যবহার করে ‘এম আর বি ব্রিকস’ দীর্ঘদিন ধরে ইট প্রস্তুত ও ভাটার কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হায়দারের নেতৃত্বে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানকালে ভাটার মালিক বা পরিচালনা পর্ষদের কাউকেই ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে অবৈধ ওই ইটভাটাটি ভেঙে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় পরিবেশ অধিদপ্তর জামালপুরের সহকারী পরিচালকসহ বাংলাদেশ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস দল উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।
জনস্বার্থ ও পরিবেশ সুরক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এমন কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
