বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সিলেট নগরীতে মানুষের হাঁটার মতো পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান নেই। নগরীর পরিবেশ ও বায়ুর মান উন্নয়নে পুরাতন কারাগার এলাকাকে একটি আধুনিক পার্কে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি নগরীর ‘ফুসফুস’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সিলেট বিভাগের প্রতিটি উপজেলার এলজিইডির আওতাধীন গ্রামীণ সড়কের উন্নয়নের জন্য প্রায় ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বর্তমান সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু সিলেট জেলা নয়, পুরো বিভাগের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতাকে অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। সেই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী শীত মৌসুম থেকেই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবদুল মালেক, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ বদরুজ্জামান সেলিম, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম এবং সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ণ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সিলেট নগরীতে মানুষের হাঁটার মতো পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান নেই। নগরীর পরিবেশ ও বায়ুর মান উন্নয়নে পুরাতন কারাগার এলাকাকে একটি আধুনিক পার্কে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি নগরীর ‘ফুসফুস’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সিলেট বিভাগের প্রতিটি উপজেলার এলজিইডির আওতাধীন গ্রামীণ সড়কের উন্নয়নের জন্য প্রায় ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বর্তমান সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু সিলেট জেলা নয়, পুরো বিভাগের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতাকে অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। সেই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী শীত মৌসুম থেকেই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবদুল মালেক, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ বদরুজ্জামান সেলিম, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম এবং সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
