অভিনন্দন, অভিনন্দন, অভিনন্দন—গৌরব ও সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কুমিল্লার দেবিদ্বারের কৃতি শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা ইভা। এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৭ নম্বর পেয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে প্রথম স্থান অর্জন করে জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে সে।
জাকিয়া সুলতানা ইভা দেবিদ্বার মফিজ উদ্দিন আহমেদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী। তার অসাধারণ ফলাফল শুধু তার পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই নয়, গোটা কুমিল্লা জেলার জন্য এক বিরাট গৌরব ও আনন্দের সংবাদ।
কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, নিয়মানুবর্তিতা এবং শিক্ষকদের নিবিড় দিকনির্দেশনাকে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তার এই অনন্য অর্জন প্রমাণ করেছে—সঠিক পরিবেশ, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায় থাকলে কুমিল্লার শিক্ষার্থীরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারে।
জাকিয়া সুলতানা ইভার এই অসাধারণ সাফল্যে দেবিদ্বারবাসীসহ কুমিল্লার সর্বস্তরের মানুষ আনন্দিত ও গর্বিত। তার এই কৃতিত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে প্রথম হয়ে জাকিয়া সুলতানা ইভা কেবল নিজের কৃতিত্বের পরিচয় দেয়নি, বরং দেবিদ্বার ও কুমিল্লার শিক্ষা অঙ্গনের সুনামকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তার এই সাফল্য কুমিল্লার শিক্ষাঙ্গনের সম্ভাবনা ও মেধার উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।
কৃতি শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা ইভার ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কর্মজীবন আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক—এই প্রত্যাশায় তাকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা।
জাকিয়া সুলতানা ইভার সাফল্যে গর্বিত কুমিল্লা, গর্বিত দেবিদ্বার।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ণ
অভিনন্দন, অভিনন্দন, অভিনন্দন—গৌরব ও সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কুমিল্লার দেবিদ্বারের কৃতি শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা ইভা। এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৭ নম্বর পেয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে প্রথম স্থান অর্জন করে জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে সে।
জাকিয়া সুলতানা ইভা দেবিদ্বার মফিজ উদ্দিন আহমেদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী। তার অসাধারণ ফলাফল শুধু তার পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই নয়, গোটা কুমিল্লা জেলার জন্য এক বিরাট গৌরব ও আনন্দের সংবাদ।
কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, নিয়মানুবর্তিতা এবং শিক্ষকদের নিবিড় দিকনির্দেশনাকে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তার এই অনন্য অর্জন প্রমাণ করেছে—সঠিক পরিবেশ, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায় থাকলে কুমিল্লার শিক্ষার্থীরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারে।
জাকিয়া সুলতানা ইভার এই অসাধারণ সাফল্যে দেবিদ্বারবাসীসহ কুমিল্লার সর্বস্তরের মানুষ আনন্দিত ও গর্বিত। তার এই কৃতিত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে প্রথম হয়ে জাকিয়া সুলতানা ইভা কেবল নিজের কৃতিত্বের পরিচয় দেয়নি, বরং দেবিদ্বার ও কুমিল্লার শিক্ষা অঙ্গনের সুনামকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তার এই সাফল্য কুমিল্লার শিক্ষাঙ্গনের সম্ভাবনা ও মেধার উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।
কৃতি শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা ইভার ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কর্মজীবন আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক—এই প্রত্যাশায় তাকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা।
জাকিয়া সুলতানা ইভার সাফল্যে গর্বিত কুমিল্লা, গর্বিত দেবিদ্বার।
