জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের (৫১ ব্যাচ) শিক্ষার্থী সৈকত হালদারকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, সৈকত হালদার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রণীত শৃঙ্খলাসংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী তাঁকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ছাড়া একই অধ্যাদেশের ২(গ) ধারা অনুযায়ী, অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি করা হয়েছে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুরকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ-জেইউ) অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ওয়ার্ডেন ড. মো. আলমগীর কবির। কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদ।
অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আদেশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের (৫১ ব্যাচ) শিক্ষার্থী সৈকত হালদারকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, সৈকত হালদার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রণীত শৃঙ্খলাসংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী তাঁকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ছাড়া একই অধ্যাদেশের ২(গ) ধারা অনুযায়ী, অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি করা হয়েছে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুরকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ-জেইউ) অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ওয়ার্ডেন ড. মো. আলমগীর কবির। কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদ।
অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আদেশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
