‘বরিশাল সিটি আমার প্রাণ! ওখানেই আমার বাড়ি, আমার ঘর। এটি আমার নিজের শহর। বরিশালের রাস্তাঘাট, ইট-পাথর, বাতাস—সবকিছুর সঙ্গে আমার আবেগ ও ভালোবাসা জড়িয়ে আছে। দল যদি আমাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়, তাহলে বরিশাল নগরীর রূপ পরিবর্তন করে দেব।’—এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সংসদ সদস্য এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
নিজের জন্মস্থান বরিশাল নগরীর প্রতি গভীর আবেগ ও ভালোবাসার কথা তুলে ধরে তিনি আবারও নগরীর দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
বরিশাল নগরীর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বলেন, বরিশাল শুধু তাঁর কাছে একটি শহর নয়, এটি তাঁর জন্মস্থান, শৈশবের স্মৃতি ও শেকড়ের ঠিকানা। নগরীর প্রতিটি রাস্তা, অলিগলি ও পরিচিত পরিবেশের সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। তাই বরিশালের প্রতি তাঁর ভালোবাসা কখনো কমেনি।
২০০৮ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ওই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের ফলাফল চুরি করে তাঁকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সান্টু আরও বলেন, সুযোগ পেলে আবারও নিজের জন্মশহর বরিশালে ফিরে আসতে চান। নগরীর মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণ এবং নাগরিক সমস্যার সমাধানে কাজ করতে চান তিনি।
মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দল তাঁকে মনোনয়ন দিলে পরিকল্পিত উন্নয়ন, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বরিশাল নগরীর চেহারা বদলে দিতে কাজ করবেন।
তাঁর এমন বক্তব্যে বরিশাল নগরীর মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর আগ্রহের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ২০০৮ সালের সিটি নির্বাচনের স্মৃতি তুলে ধরে পুনরায় মেয়র পদে দায়িত্ব পালনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
তবে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি এখনো দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।
সব মিলিয়ে জন্মশহর বরিশালের প্রতি আবেগ, অতীত নির্বাচনের স্মৃতি এবং নগরীর উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যাশা—এই তিন বিষয়ই উঠে এসেছে সংসদ সদস্য এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর বক্তব্যে। এখন দেখার বিষয়, দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি সত্যিই বরিশাল নগরীর মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন কি না।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ণ
‘বরিশাল সিটি আমার প্রাণ! ওখানেই আমার বাড়ি, আমার ঘর। এটি আমার নিজের শহর। বরিশালের রাস্তাঘাট, ইট-পাথর, বাতাস—সবকিছুর সঙ্গে আমার আবেগ ও ভালোবাসা জড়িয়ে আছে। দল যদি আমাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়, তাহলে বরিশাল নগরীর রূপ পরিবর্তন করে দেব।’—এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সংসদ সদস্য এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
নিজের জন্মস্থান বরিশাল নগরীর প্রতি গভীর আবেগ ও ভালোবাসার কথা তুলে ধরে তিনি আবারও নগরীর দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
বরিশাল নগরীর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বলেন, বরিশাল শুধু তাঁর কাছে একটি শহর নয়, এটি তাঁর জন্মস্থান, শৈশবের স্মৃতি ও শেকড়ের ঠিকানা। নগরীর প্রতিটি রাস্তা, অলিগলি ও পরিচিত পরিবেশের সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। তাই বরিশালের প্রতি তাঁর ভালোবাসা কখনো কমেনি।
২০০৮ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ওই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের ফলাফল চুরি করে তাঁকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সান্টু আরও বলেন, সুযোগ পেলে আবারও নিজের জন্মশহর বরিশালে ফিরে আসতে চান। নগরীর মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণ এবং নাগরিক সমস্যার সমাধানে কাজ করতে চান তিনি।
মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দল তাঁকে মনোনয়ন দিলে পরিকল্পিত উন্নয়ন, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বরিশাল নগরীর চেহারা বদলে দিতে কাজ করবেন।
তাঁর এমন বক্তব্যে বরিশাল নগরীর মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর আগ্রহের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ২০০৮ সালের সিটি নির্বাচনের স্মৃতি তুলে ধরে পুনরায় মেয়র পদে দায়িত্ব পালনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
তবে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি এখনো দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।
সব মিলিয়ে জন্মশহর বরিশালের প্রতি আবেগ, অতীত নির্বাচনের স্মৃতি এবং নগরীর উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যাশা—এই তিন বিষয়ই উঠে এসেছে সংসদ সদস্য এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর বক্তব্যে। এখন দেখার বিষয়, দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি সত্যিই বরিশাল নগরীর মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন কি না।
