রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

লালপুরে নারীকে সংঘ'ব''দ্ধ ধ''র্ষ'ণের অভিযোগে আ'টক-৩


আবদুর রহমান মোল্লা
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার , 4 ফলোয়ার
প্রকাশ : সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

লালপুরে নারীকে সংঘ'ব''দ্ধ ধ''র্ষ'ণের অভিযোগে আ'টক-৩

জোরপূর্বক অপহরণ, গণধর্ষণ, আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি এবং পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে লালপুর থানা পুলিশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর, ২০২৬) ভোররাতে পরিচালিত অভিযানে উত্তর লালপুর এলাকা থেকে আসামি ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নাটোরের লালপুর উপজেলার বাসিন্দা এক তরুণী (২৪) গত ৩ অক্টোবর দুপুর আনুমানিক ১২:৩০ ঘটিকায় ১ নম্বর আসামি আশিকের সঙ্গে দেখা করতে গোপালপুর রেলগেটের সিএনজি স্ট্যান্ডে যান। এরপর ইজিবাইক যোগে পার্ক ভ্রমণ শেষে বিকেল আনুমানিক ৩:১০ ঘটিকায় আসামি আশিক ও কাজল ভিকটিমকে জোরপূর্বক জোতদৈবকী গ্রামস্থ ৩ নম্বর আসামি শাকিল হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যায়।

বিকেল ৩:৩০ ঘটিকার দিকে আসামি আশিক তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে প্রথম ধর্ষণ করে। ওই সময় ঘরের ফাঁক দিয়ে অপর আসামি শাকিল তার মোবাইল ফোনে ধর্ষণের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে ভিডিওটি দেখিয়ে ও প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে শাকিল নিজেও ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে অপর আসামি কাজল ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে মারধর করে এবং একই কায়দায় ধর্ষণ করে।

একই দিন বিকেল আনুমানিক ৫:০০ ঘটিকায় ৪ নম্বর আসামি মেহেদী ঘরে প্রবেশ করে নিজেকে পুলিশ পরিচয় দেয় এবং ভিকটিমের কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবি করে। ভিকটিম টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার ব্যবহৃত ভিভো স্মার্টফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর সকাল ১০:০০ ঘটিকায় আসামি আশিক ভিকটিমের কাছে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে সংগৃহীত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

ঘটনাটি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্বজনদের জানানোর পর ভিকটিম লালপুর থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন। মামলা নম্বর-০৬, তারিখ: ০৫/১০/২০২৬,ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/২৬) এর ৭/৯(৩)/৩০ তৎসহ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮(১)/৮(২) এবং ১৭০/৫০৬ পেনাল কোড, জিআর নং-২৮০/২০২৬ (লালপুর)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ইব্রাহিম খলিল জানান, এজাহার প্রাপ্তির পর লালপুর থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভোর ৪:২০ ঘটিকায় উত্তর লালপুর এলাকার একটি বসতবাড়ি থেকে ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো:

১. মোঃ আশিক জামান (২০), পিতা: মোঃ আজের আলী, সাং- উত্তর লালপুর।

২. মোঃ কাজল ইসলাম (১৯), পিতা: হাফিজুল ইসলাম, সাং- উত্তর লালপুর।

৩. মোঃ শাকিল ইসলাম বাদল (২৩), পিতা: মোঃ সাইদুল ইসলাম, সাং- জোতদৈবকী।

থানার রেকর্ড পত্র যাচাই করে জানা গেছে, ২ নম্বর আসামি কাজলের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় একটি চুরি ও ভাঙচুরের মামলা (জি আর নং-২৪৪/২৪) এবং ৩ নম্বর আসামি শাকিলের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মারামারি ও হত্যাচেষ্টার মামলা (সিআর নং-৪৫৭সি/২৪) বিচারাধীন রয়েছে।

লালপুর থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। 

আসামীগনকে অদ্য ০৫/১০/২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


লালপুরে নারীকে সংঘ'ব''দ্ধ ধ''র্ষ'ণের অভিযোগে আ'টক-৩

প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ণ

featured Image

জোরপূর্বক অপহরণ, গণধর্ষণ, আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি এবং পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে লালপুর থানা পুলিশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর, ২০২৬) ভোররাতে পরিচালিত অভিযানে উত্তর লালপুর এলাকা থেকে আসামি ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নাটোরের লালপুর উপজেলার বাসিন্দা এক তরুণী (২৪) গত ৩ অক্টোবর দুপুর আনুমানিক ১২:৩০ ঘটিকায় ১ নম্বর আসামি আশিকের সঙ্গে দেখা করতে গোপালপুর রেলগেটের সিএনজি স্ট্যান্ডে যান। এরপর ইজিবাইক যোগে পার্ক ভ্রমণ শেষে বিকেল আনুমানিক ৩:১০ ঘটিকায় আসামি আশিক ও কাজল ভিকটিমকে জোরপূর্বক জোতদৈবকী গ্রামস্থ ৩ নম্বর আসামি শাকিল হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যায়।

বিকেল ৩:৩০ ঘটিকার দিকে আসামি আশিক তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে প্রথম ধর্ষণ করে। ওই সময় ঘরের ফাঁক দিয়ে অপর আসামি শাকিল তার মোবাইল ফোনে ধর্ষণের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে ভিডিওটি দেখিয়ে ও প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে শাকিল নিজেও ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে অপর আসামি কাজল ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে মারধর করে এবং একই কায়দায় ধর্ষণ করে।

একই দিন বিকেল আনুমানিক ৫:০০ ঘটিকায় ৪ নম্বর আসামি মেহেদী ঘরে প্রবেশ করে নিজেকে পুলিশ পরিচয় দেয় এবং ভিকটিমের কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবি করে। ভিকটিম টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার ব্যবহৃত ভিভো স্মার্টফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর সকাল ১০:০০ ঘটিকায় আসামি আশিক ভিকটিমের কাছে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে সংগৃহীত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

ঘটনাটি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্বজনদের জানানোর পর ভিকটিম লালপুর থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন। মামলা নম্বর-০৬, তারিখ: ০৫/১০/২০২৬,ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/২৬) এর ৭/৯(৩)/৩০ তৎসহ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮(১)/৮(২) এবং ১৭০/৫০৬ পেনাল কোড, জিআর নং-২৮০/২০২৬ (লালপুর)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ইব্রাহিম খলিল জানান, এজাহার প্রাপ্তির পর লালপুর থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভোর ৪:২০ ঘটিকায় উত্তর লালপুর এলাকার একটি বসতবাড়ি থেকে ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো:

১. মোঃ আশিক জামান (২০), পিতা: মোঃ আজের আলী, সাং- উত্তর লালপুর।

২. মোঃ কাজল ইসলাম (১৯), পিতা: হাফিজুল ইসলাম, সাং- উত্তর লালপুর।

৩. মোঃ শাকিল ইসলাম বাদল (২৩), পিতা: মোঃ সাইদুল ইসলাম, সাং- জোতদৈবকী।

থানার রেকর্ড পত্র যাচাই করে জানা গেছে, ২ নম্বর আসামি কাজলের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় একটি চুরি ও ভাঙচুরের মামলা (জি আর নং-২৪৪/২৪) এবং ৩ নম্বর আসামি শাকিলের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মারামারি ও হত্যাচেষ্টার মামলা (সিআর নং-৪৫৭সি/২৪) বিচারাধীন রয়েছে।

লালপুর থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। 

আসামীগনকে অদ্য ০৫/১০/২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
লালপুরে নারীকে সংঘ'ব''দ্ধ ধ''র্ষ'ণের অভিযোগে আ'টক-৩
0:00 / 0:00
1x