পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জামালপুরে এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুর রহমান।
অভিযান চলাকালে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ অনুযায়ী বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের সচেতন করা হয়। কৃত্রিম বা প্লাস্টিকের বস্তার পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব পাটজাত মোড়ক ব্যবহারে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ ও সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়।
আইন অমান্য করে পণ্য পরিবহনে ও সংরক্ষণে নিষিদ্ধ ঘোষিত মোড়ক ব্যবহার করায় অভিযানে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে , দেশীয় পাট শিল্পের বিকাশ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীদের দমনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
অভিযান পরিচালনাকালে স্থানীয় পাট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ণ
পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জামালপুরে এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুর রহমান।
অভিযান চলাকালে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ অনুযায়ী বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের সচেতন করা হয়। কৃত্রিম বা প্লাস্টিকের বস্তার পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব পাটজাত মোড়ক ব্যবহারে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ ও সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়।
আইন অমান্য করে পণ্য পরিবহনে ও সংরক্ষণে নিষিদ্ধ ঘোষিত মোড়ক ব্যবহার করায় অভিযানে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে , দেশীয় পাট শিল্পের বিকাশ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীদের দমনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
অভিযান পরিচালনাকালে স্থানীয় পাট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
