জামালপুর শহরের পাঁচ রাস্তার মোড় সংলগ্ন এলাকায় সড়ক ও পথচারীদের চলাচলের পথ অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা দোকানপাটের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুর রহমান। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক সহায়তায় অংশ নেন জামালপুর জেলা পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহরের অত্যন্ত ব্যস্ততম পাঁচ রাস্তার মোড় ও তার আশপাশের প্রধান সড়ক এবং ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অস্থায়ী দোকানপাট বসিয়ে বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছিলেন। ফলে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের পাশাপাশি সাধারণ পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। জনদুর্ভোগ লাঘব এবং সড়কের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করে জেলা প্রশাসন।
অভিযানকালে উচ্ছেদ চালিয়ে দখলকৃত সড়ক ও ফুটপাত সম্পূর্ণ অবৈধ স্থাপনামুক্ত করা হয়। একই সাথে পুনরায় সড়ক ও ফুটপাত দখল না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনসাধারণের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং শহরের যানজট নিরসনে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মনিটরিং কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ণ
জামালপুর শহরের পাঁচ রাস্তার মোড় সংলগ্ন এলাকায় সড়ক ও পথচারীদের চলাচলের পথ অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা দোকানপাটের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুর রহমান। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক সহায়তায় অংশ নেন জামালপুর জেলা পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহরের অত্যন্ত ব্যস্ততম পাঁচ রাস্তার মোড় ও তার আশপাশের প্রধান সড়ক এবং ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অস্থায়ী দোকানপাট বসিয়ে বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছিলেন। ফলে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের পাশাপাশি সাধারণ পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। জনদুর্ভোগ লাঘব এবং সড়কের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করে জেলা প্রশাসন।
অভিযানকালে উচ্ছেদ চালিয়ে দখলকৃত সড়ক ও ফুটপাত সম্পূর্ণ অবৈধ স্থাপনামুক্ত করা হয়। একই সাথে পুনরায় সড়ক ও ফুটপাত দখল না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনসাধারণের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং শহরের যানজট নিরসনে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মনিটরিং কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
