স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে ডিমাগজ, ডাক্তারপাড়া, বৈরাগীগছ, চান্দিয়াগজ ও পুহাতুগজ গ্রামের বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বক্তারা দ্রুত বিটপাড়া ঘাটে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভেরসা নদীর অপর পারে পাঁচ গ্রামের বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি রয়েছে। নদী পার হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য কৃষক সেখানে চাষাবাদ করতে যান। এসব জমিতে ধান, পাট, ভুট্টা, গম ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির পাশাপাশি গবাদিপশুর খাদ্যের জন্য ঘাসও উৎপাদন করা হয়।
তবে নদীর ওপর সেতু না থাকায় কৃষকদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। উৎপাদিত ফসল পরিবহন, বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ নেওয়া-আনার ক্ষেত্রে সময় ও অর্থ দুটিই বেশি ব্যয় হচ্ছে। নদীর গভীরতার কারণে অনেক সময় ট্রাক্টরসহ কৃষি যন্ত্রপাতি অপর পারে নেওয়াও সম্ভব হয় না।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, যোগাযোগব্যবস্থার এই সংকটের কারণে অনেক জমি সময়মতো চাষের আওতায় আনা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে পারাপারের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এতে কৃষিকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে মানুষের চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়।
মানববন্ধনে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মসলিম উদ্দিন, ইউপি সদস্য শামসুল হক সরকার, সাবেক ইউপি সদস্য জশিমউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা ফজলে করিম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হারু রশিদ, স্থানীয় কৃষক ফেরদৌস আহমেদ, দমিজ উদ্দিন, আল আমীনসহ অনেকে বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, একটি সেতু নির্মাণ হলে শুধু নদী পারাপারের সমস্যা দূর হবে না, পাঁচ গ্রামের কৃষিপণ্য সহজে বাজারজাত করা, কৃষি উপকরণ পরিবহন এবং মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগও অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি এলাকার শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং বিটপাড়া ঘাটে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ণ
স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে ডিমাগজ, ডাক্তারপাড়া, বৈরাগীগছ, চান্দিয়াগজ ও পুহাতুগজ গ্রামের বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বক্তারা দ্রুত বিটপাড়া ঘাটে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভেরসা নদীর অপর পারে পাঁচ গ্রামের বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি রয়েছে। নদী পার হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য কৃষক সেখানে চাষাবাদ করতে যান। এসব জমিতে ধান, পাট, ভুট্টা, গম ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির পাশাপাশি গবাদিপশুর খাদ্যের জন্য ঘাসও উৎপাদন করা হয়।
তবে নদীর ওপর সেতু না থাকায় কৃষকদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। উৎপাদিত ফসল পরিবহন, বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ নেওয়া-আনার ক্ষেত্রে সময় ও অর্থ দুটিই বেশি ব্যয় হচ্ছে। নদীর গভীরতার কারণে অনেক সময় ট্রাক্টরসহ কৃষি যন্ত্রপাতি অপর পারে নেওয়াও সম্ভব হয় না।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, যোগাযোগব্যবস্থার এই সংকটের কারণে অনেক জমি সময়মতো চাষের আওতায় আনা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে পারাপারের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এতে কৃষিকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে মানুষের চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়।
মানববন্ধনে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মসলিম উদ্দিন, ইউপি সদস্য শামসুল হক সরকার, সাবেক ইউপি সদস্য জশিমউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা ফজলে করিম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হারু রশিদ, স্থানীয় কৃষক ফেরদৌস আহমেদ, দমিজ উদ্দিন, আল আমীনসহ অনেকে বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, একটি সেতু নির্মাণ হলে শুধু নদী পারাপারের সমস্যা দূর হবে না, পাঁচ গ্রামের কৃষিপণ্য সহজে বাজারজাত করা, কৃষি উপকরণ পরিবহন এবং মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগও অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি এলাকার শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং বিটপাড়া ঘাটে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
