রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিল, নগদ অ্যাকাউন্টও খুলল! পঞ্চগড়ে এলাকাবাসীর হাতে ৩ জন আটক


সঞ্জু বনিক সৌরভ
মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, 1 ফলোয়ার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিল, নগদ অ্যাকাউন্টও খুলল! পঞ্চগড়ে এলাকাবাসীর হাতে ৩ জন আটক
বিস্তারিত কমেন্টে

মাত্র ১০ টাকায় সিম বিক্রির কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের পর অজান্তেই নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৪ নম্বর কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকায় তিনজনকে আটক করে রাখেন স্থানীয়রা।


বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বন্দরপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে তাদের আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা।


আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের আবু নাইয়ান নাহিদ, পঞ্চগড় জালাসী এলাকার রবিউল ইসলাম ও বাবু।


স্থানীয়দের অভিযোগ, গত তিন দিন ধরে কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বন্দরপাড়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাত্র ১০ টাকায় রবি ও ইয়ারটেল সিম বিক্রি করছিলেন ওই তিনজন। সিম দেওয়ার সময় গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি ফিঙ্গারপ্রিন্টও সংগ্রহ করা হয়।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের অজান্তেই এসব তথ্য ব্যবহার করে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। সিম নেওয়ার পরপরই অনেক গ্রাহকের আগে থেকে থাকা নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায় বলেও দাবি করেন তারা।


স্থানীয়দের দাবি, গত তিন দিনে প্রায় ৪ থেকে ৫ শত মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। কয়েকজনের নগদ অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি যাচাই করতে আবার সিম কেনার কথা বলে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে তারা নিজেদের অবস্থান পঞ্চগড়ের বলেয়াপাড়া এলাকায় বলে জানান। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে তাদের আটক করে বন্দরপাড়া এলাকায় নিয়ে আসেন।


একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, ‘১০ টাকায় তারা সিম দিচ্ছিল। সিম দেওয়ার সময় আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টও নেয়। তারা চলে যাওয়ার পরই আমাদের নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। কোন সিম দিয়ে তারা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছে, আমরা জানি না।’


তাদের আরও অভিযোগ, অনেকের নগদ অ্যাকাউন্টে টাকা ছিল। পরে সেসব টাকা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।


ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।


পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। গ্রাহকদের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা অর্থ সরানোর অভিযোগের সত্যতা কী—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিল, নগদ অ্যাকাউন্টও খুলল! পঞ্চগড়ে এলাকাবাসীর হাতে ৩ জন আটক


পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ


পঞ্চগড় | ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাত্র ১০ টাকায় সিম বিক্রির কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের পর অজান্তেই নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৪ নম্বর কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকায় তিনজনকে আটক করে রাখেন স্থানীয়রা।


বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বন্দরপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে তাদের আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা।


আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের আবু নাইয়ান নাহিদ, পঞ্চগড় জালাসী এলাকার রবিউল ইসলাম ও বাবু।


স্থানীয়দের অভিযোগ, গত তিন দিন ধরে কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বন্দরপাড়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাত্র ১০ টাকায় রবি ও ইয়ারটেল সিম বিক্রি করছিলেন ওই তিনজন। সিম দেওয়ার সময় গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি ফিঙ্গারপ্রিন্টও সংগ্রহ করা হয়।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের অজান্তেই এসব তথ্য ব্যবহার করে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। সিম নেওয়ার পরপরই অনেক গ্রাহকের আগে থেকে থাকা নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায় বলেও দাবি করেন তারা।


স্থানীয়দের দাবি, গত তিন দিনে প্রায় ৪ থেকে ৫ শত মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। কয়েকজনের নগদ অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি যাচাই করতে আবার সিম কেনার কথা বলে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে তারা নিজেদের অবস্থান পঞ্চগড়ের বলেয়াপাড়া এলাকায় বলে জানান। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে তাদের আটক করে বন্দরপাড়া এলাকায় নিয়ে আসেন।


একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, ‘১০ টাকায় তারা সিম দিচ্ছিল। সিম দেওয়ার সময় আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টও নেয়। তারা চলে যাওয়ার পরই আমাদের নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। কোন সিম দিয়ে তারা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছে, আমরা জানি না।’


তাদের আরও অভিযোগ, অনেকের নগদ অ্যাকাউন্টে টাকা ছিল। পরে সেসব টাকা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।


ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।


পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। গ্রাহকদের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা অর্থ সরানোর অভিযোগের সত্যতা কী—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিল, নগদ অ্যাকাউন্টও খুলল! পঞ্চগড়ে এলাকাবাসীর হাতে ৩ জন আটক

প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ণ

featured Image

মাত্র ১০ টাকায় সিম বিক্রির কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের পর অজান্তেই নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৪ নম্বর কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকায় তিনজনকে আটক করে রাখেন স্থানীয়রা।


বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বন্দরপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে তাদের আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা।


আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের আবু নাইয়ান নাহিদ, পঞ্চগড় জালাসী এলাকার রবিউল ইসলাম ও বাবু।


স্থানীয়দের অভিযোগ, গত তিন দিন ধরে কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বন্দরপাড়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাত্র ১০ টাকায় রবি ও ইয়ারটেল সিম বিক্রি করছিলেন ওই তিনজন। সিম দেওয়ার সময় গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি ফিঙ্গারপ্রিন্টও সংগ্রহ করা হয়।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের অজান্তেই এসব তথ্য ব্যবহার করে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। সিম নেওয়ার পরপরই অনেক গ্রাহকের আগে থেকে থাকা নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায় বলেও দাবি করেন তারা।


স্থানীয়দের দাবি, গত তিন দিনে প্রায় ৪ থেকে ৫ শত মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। কয়েকজনের নগদ অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি যাচাই করতে আবার সিম কেনার কথা বলে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে তারা নিজেদের অবস্থান পঞ্চগড়ের বলেয়াপাড়া এলাকায় বলে জানান। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে তাদের আটক করে বন্দরপাড়া এলাকায় নিয়ে আসেন।


একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, ‘১০ টাকায় তারা সিম দিচ্ছিল। সিম দেওয়ার সময় আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টও নেয়। তারা চলে যাওয়ার পরই আমাদের নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। কোন সিম দিয়ে তারা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছে, আমরা জানি না।’


তাদের আরও অভিযোগ, অনেকের নগদ অ্যাকাউন্টে টাকা ছিল। পরে সেসব টাকা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।


ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।


পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। গ্রাহকদের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা অর্থ সরানোর অভিযোগের সত্যতা কী—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিল, নগদ অ্যাকাউন্টও খুলল! পঞ্চগড়ে এলাকাবাসীর হাতে ৩ জন আটক


পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ


পঞ্চগড় | ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাত্র ১০ টাকায় সিম বিক্রির কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের পর অজান্তেই নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৪ নম্বর কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকায় তিনজনকে আটক করে রাখেন স্থানীয়রা।


বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বন্দরপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে তাদের আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা।


আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের আবু নাইয়ান নাহিদ, পঞ্চগড় জালাসী এলাকার রবিউল ইসলাম ও বাবু।


স্থানীয়দের অভিযোগ, গত তিন দিন ধরে কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের বন্দরপাড়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাত্র ১০ টাকায় রবি ও ইয়ারটেল সিম বিক্রি করছিলেন ওই তিনজন। সিম দেওয়ার সময় গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি ফিঙ্গারপ্রিন্টও সংগ্রহ করা হয়।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের অজান্তেই এসব তথ্য ব্যবহার করে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। সিম নেওয়ার পরপরই অনেক গ্রাহকের আগে থেকে থাকা নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায় বলেও দাবি করেন তারা।


স্থানীয়দের দাবি, গত তিন দিনে প্রায় ৪ থেকে ৫ শত মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। কয়েকজনের নগদ অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি যাচাই করতে আবার সিম কেনার কথা বলে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে তারা নিজেদের অবস্থান পঞ্চগড়ের বলেয়াপাড়া এলাকায় বলে জানান। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে তাদের আটক করে বন্দরপাড়া এলাকায় নিয়ে আসেন।


একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, ‘১০ টাকায় তারা সিম দিচ্ছিল। সিম দেওয়ার সময় আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টও নেয়। তারা চলে যাওয়ার পরই আমাদের নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। কোন সিম দিয়ে তারা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছে, আমরা জানি না।’


তাদের আরও অভিযোগ, অনেকের নগদ অ্যাকাউন্টে টাকা ছিল। পরে সেসব টাকা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।


ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।


পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। গ্রাহকদের তথ্য ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা অর্থ সরানোর অভিযোগের সত্যতা কী—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিল, নগদ অ্যাকাউন্টও খুলল! পঞ্চগড়ে এলাকাবাসীর হাতে ৩ জন আটক
0:00 / 0:00
1x