জনগণকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াই বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি জানান, যশোর জেনারেল হাসপাতালের বহুল প্রতীক্ষিত করোনারি কেয়ার ইউনিট - সিসিইউ এবং এনজিওগ্রাম ইউনিট অতি দ্রুত উদ্বোধন করা হবে।
শনিবার দুপুর আড়াইটায় যশোর জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিনিয়র সচিব জানান, সিসিইউ ও এনজিওগ্রাম ইউনিট যাতে প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে উদ্বোধন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় সরেজমিনে যাচাই করতেই এই পরিদর্শন। তিনি বলেন, "জনসেবার মাধ্যমেই সরকারের অস্তিত্ব টিকে থাকে।"
পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ, করোনারি কেয়ার ইউনিটসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার মান ও পরিবেশ উন্নত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যশোর জেনারেল হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ আরও উন্নত ও সম্প্রসারিত স্বাস্থ্যসেবা পাবে।
হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। হাসপাতাল প্রশাসনকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত, সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ণ
জনগণকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াই বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি জানান, যশোর জেনারেল হাসপাতালের বহুল প্রতীক্ষিত করোনারি কেয়ার ইউনিট - সিসিইউ এবং এনজিওগ্রাম ইউনিট অতি দ্রুত উদ্বোধন করা হবে।
শনিবার দুপুর আড়াইটায় যশোর জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিনিয়র সচিব জানান, সিসিইউ ও এনজিওগ্রাম ইউনিট যাতে প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে উদ্বোধন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় সরেজমিনে যাচাই করতেই এই পরিদর্শন। তিনি বলেন, "জনসেবার মাধ্যমেই সরকারের অস্তিত্ব টিকে থাকে।"
পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ, করোনারি কেয়ার ইউনিটসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার মান ও পরিবেশ উন্নত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যশোর জেনারেল হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ আরও উন্নত ও সম্প্রসারিত স্বাস্থ্যসেবা পাবে।
হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। হাসপাতাল প্রশাসনকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত, সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
