নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের ভাগদী এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার চার দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা/রা গেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ নামে এক যুবক।
আজ রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
এর আগে গত ২৯ অক্টোবর সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা আঞ্চলিক সড়কের ভাগদী সিএন্ডবি এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন আসাদ। পরে তাঁকে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে নেওয়া হলে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে টানা চার দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর আজ তাঁর মৃ/ত্যু হয়।
রাইসুল ইসলাম আসাদ ঘোড়াশালের ভাগদী গ্রামের হারেজ মিয়ার ছেলে। মৃ/ত্যুকালে তিনি বাবা, দুই ভাই, এক বোন, স্ত্রী ও চার শিশু সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানা যায়, শিক্ষাজীবনে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন রাইসুল ইসলাম আসাদ। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি তাঁর ছিল বিশেষ আগ্রহ। বিশেষ করে ফুটবলে পলাশ উপজেলার বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে একজন ভালো খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। পাশাপাশি ক্রিকেট খেলাতেও ছিলেন বেশ পারদর্শী।
কলেজজীবন শেষ করে ২০০৪ সালে জীবিকার সন্ধানে প্রবাসে পাড়ি জমান আসাদ। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর ২০১৮ সালে দেশে ফিরে ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। সদালাপী ও মিশুক স্বভাবের কারণে এলাকার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় একজন মানুষ।
তাঁর আকস্মিক মৃ/ত্যুতে পরিবার, স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ণ
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের ভাগদী এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার চার দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা/রা গেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ নামে এক যুবক।
আজ রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
এর আগে গত ২৯ অক্টোবর সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা আঞ্চলিক সড়কের ভাগদী সিএন্ডবি এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন আসাদ। পরে তাঁকে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে নেওয়া হলে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে টানা চার দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর আজ তাঁর মৃ/ত্যু হয়।
রাইসুল ইসলাম আসাদ ঘোড়াশালের ভাগদী গ্রামের হারেজ মিয়ার ছেলে। মৃ/ত্যুকালে তিনি বাবা, দুই ভাই, এক বোন, স্ত্রী ও চার শিশু সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানা যায়, শিক্ষাজীবনে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন রাইসুল ইসলাম আসাদ। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি তাঁর ছিল বিশেষ আগ্রহ। বিশেষ করে ফুটবলে পলাশ উপজেলার বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে একজন ভালো খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। পাশাপাশি ক্রিকেট খেলাতেও ছিলেন বেশ পারদর্শী।
কলেজজীবন শেষ করে ২০০৪ সালে জীবিকার সন্ধানে প্রবাসে পাড়ি জমান আসাদ। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর ২০১৮ সালে দেশে ফিরে ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। সদালাপী ও মিশুক স্বভাবের কারণে এলাকার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় একজন মানুষ।
তাঁর আকস্মিক মৃ/ত্যুতে পরিবার, স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
