মালদ্বীপে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষায় নিয়োগকর্তার সঙ্গে সম্পাদিত চাকরির চুক্তিপত্রের কপি নিজেদের কাছে সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালদ্বীপে কর্মরত প্রত্যেক বাংলাদেশি কর্মীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের লিখিত চাকরির চুক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। চুক্তিপত্রে কর্মীর কাজের ধরন ও দায়িত্ব, নির্ধারিত বেতন, প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা এবং চাকরির অন্যান্য শর্তাবলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
হাইকমিশন আরও জানায়, চাকরির চুক্তি সম্পাদনের পাশাপাশি প্রত্যেক কর্মীকে নিজ নিজ কোম্পানি বা নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চুক্তিপত্রের একটি অনুলিপি সংগ্রহ করে ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
চাকরির চুক্তিপত্র কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। বেতন, কর্মঘণ্টা, কাজের ধরন কিংবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিয়োগকর্তার সঙ্গে কোনো বিরোধ দেখা দিলে এই চুক্তিপত্র প্রমাণ হিসেবে কাজে আসতে পারে।
এ অবস্থায় মালদ্বীপে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীকে নিজ নিজ চাকরির চুক্তিপত্র সংগ্রহ ও নিরাপদে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ণ
মালদ্বীপে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষায় নিয়োগকর্তার সঙ্গে সম্পাদিত চাকরির চুক্তিপত্রের কপি নিজেদের কাছে সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালদ্বীপে কর্মরত প্রত্যেক বাংলাদেশি কর্মীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের লিখিত চাকরির চুক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। চুক্তিপত্রে কর্মীর কাজের ধরন ও দায়িত্ব, নির্ধারিত বেতন, প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা এবং চাকরির অন্যান্য শর্তাবলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
হাইকমিশন আরও জানায়, চাকরির চুক্তি সম্পাদনের পাশাপাশি প্রত্যেক কর্মীকে নিজ নিজ কোম্পানি বা নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চুক্তিপত্রের একটি অনুলিপি সংগ্রহ করে ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
চাকরির চুক্তিপত্র কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। বেতন, কর্মঘণ্টা, কাজের ধরন কিংবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিয়োগকর্তার সঙ্গে কোনো বিরোধ দেখা দিলে এই চুক্তিপত্র প্রমাণ হিসেবে কাজে আসতে পারে।
এ অবস্থায় মালদ্বীপে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীকে নিজ নিজ চাকরির চুক্তিপত্র সংগ্রহ ও নিরাপদে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
