দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের সাথে কথা কাটাকাটির পর গলায় ফাঁস দিয়ে কহিনুর (১২) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বরাতীপুর এলাকায় এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
নিহত কহিনুর উপজেলার বরাতীপুর এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ও ছমিরন দম্পতির মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে তুচ্ছ কোনো বিষয় নিয়ে মায়ের সাথে কহিনুরের কথা কাটাকাটি হয়। এই ক্ষোভ ও অভিমানের একপর্যায়ে তার মা ঘর থেকে বাইরে চলে যান। সেই মুহূর্তে ঘরে একা থাকার সুযোগে কহিনুর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। কিছুক্ষণ পর পরিবারের লোকজন তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেলে স্থানীয়দের মাঝে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে এবং চারদিকে শোকের মাতম শুরু হয়। ঠিক কী কারণে তাদের মধ্যে এই বাকবিতণ্ডা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক ধারণা এটি আত্মহত্যার ঘটনা। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এছাড়া পুলিশ ঘটনাটির পেছনের অন্যান্য কারণও খতিয়ে দেখছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের সাথে কথা কাটাকাটির পর গলায় ফাঁস দিয়ে কহিনুর (১২) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বরাতীপুর এলাকায় এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
নিহত কহিনুর উপজেলার বরাতীপুর এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ও ছমিরন দম্পতির মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে তুচ্ছ কোনো বিষয় নিয়ে মায়ের সাথে কহিনুরের কথা কাটাকাটি হয়। এই ক্ষোভ ও অভিমানের একপর্যায়ে তার মা ঘর থেকে বাইরে চলে যান। সেই মুহূর্তে ঘরে একা থাকার সুযোগে কহিনুর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। কিছুক্ষণ পর পরিবারের লোকজন তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেলে স্থানীয়দের মাঝে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে এবং চারদিকে শোকের মাতম শুরু হয়। ঠিক কী কারণে তাদের মধ্যে এই বাকবিতণ্ডা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক ধারণা এটি আত্মহত্যার ঘটনা। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এছাড়া পুলিশ ঘটনাটির পেছনের অন্যান্য কারণও খতিয়ে দেখছে।
