গোপালগঞ্জের হাতিয়াড়া ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ অবরুদ্ধ করে এবং সরকারি অবকাঠামোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে ভেতরে প্রকাণ্ড পাকা স্থাপনা নির্মাণের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ব্রিজ রক্ষায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বসানো প্রতিরোধক ব্লক সরিয়ে সেখানে প্রায় ৩২ ইঞ্চি পুরু শক্তপোক্ত পাকা দেয়াল তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাথরঘাটা গ্রামের অতুলচন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে তুষার বিশ্বাস সরকারি খালের জায়গা দখল করে এই স্থাপনা নির্মাণ করছেন। পরিবেশ ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ তোয়াক্কা না করে এবং সরকারি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করে ব্যক্তি স্বার্থে এমন দেয়াল তোলায় পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত তুষার বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে হাতিয়াড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জানান। তথ্য পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা সরেজমিনে স্থানটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সত্যতা নিশ্চিত করে ওই ভূমি কর্মকর্তা বলেন, “আমি নিজে সশরীরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছি। খালের ভেতরে এভাবে অবকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টিকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক বা ভালো মনে হয়নি। জমির তথাকথিত দাবিদারকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে অফিসে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং একাধিকবার ফোনেও চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত অফিসে এসে কোনো কাগজপত্র দেখাননি।”
এদিকে সরকারি খাল ও এলজিইডির অবকাঠামোর চরম ক্ষতি করে কীভাবে একজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে এমন নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন—আইন ও সরকারি বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ার পরও কেন দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে না?
এ অবস্থায় খালের স্বাভাবিক নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ টিকিয়ে রাখতে দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে বেআইনি স্থাপনাটি উচ্ছেদ এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন পাথরঘাটা গ্রামের বাসিন্দারা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জের হাতিয়াড়া ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ অবরুদ্ধ করে এবং সরকারি অবকাঠামোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে ভেতরে প্রকাণ্ড পাকা স্থাপনা নির্মাণের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ব্রিজ রক্ষায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বসানো প্রতিরোধক ব্লক সরিয়ে সেখানে প্রায় ৩২ ইঞ্চি পুরু শক্তপোক্ত পাকা দেয়াল তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাথরঘাটা গ্রামের অতুলচন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে তুষার বিশ্বাস সরকারি খালের জায়গা দখল করে এই স্থাপনা নির্মাণ করছেন। পরিবেশ ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ তোয়াক্কা না করে এবং সরকারি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করে ব্যক্তি স্বার্থে এমন দেয়াল তোলায় পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত তুষার বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে হাতিয়াড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জানান। তথ্য পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা সরেজমিনে স্থানটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সত্যতা নিশ্চিত করে ওই ভূমি কর্মকর্তা বলেন, “আমি নিজে সশরীরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছি। খালের ভেতরে এভাবে অবকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টিকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক বা ভালো মনে হয়নি। জমির তথাকথিত দাবিদারকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে অফিসে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং একাধিকবার ফোনেও চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত অফিসে এসে কোনো কাগজপত্র দেখাননি।”
এদিকে সরকারি খাল ও এলজিইডির অবকাঠামোর চরম ক্ষতি করে কীভাবে একজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে এমন নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন—আইন ও সরকারি বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ার পরও কেন দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে না?
এ অবস্থায় খালের স্বাভাবিক নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ টিকিয়ে রাখতে দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে বেআইনি স্থাপনাটি উচ্ছেদ এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন পাথরঘাটা গ্রামের বাসিন্দারা।
