কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষি জমি ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত তিন দিনের টানা সাঁড়াশি অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মোট ১১টি অবৈধ ড্রেজার ও প্রায় ৬ হাজার ৭০০ ফুট পাইপ ধ্বংস ও অপসারণ করা হয়েছে।
এ সময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩টি মামলায় ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কৃষি জমি ও পরিবেশ রক্ষায় গত রবি থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে—
বাংগরা পশ্চিম ইউনিয়ন: কুরুন্ডি, কুড়াখাল ও দিঘীরপাড় এলাকা থেকে ২টি ড্রেজার এবং ১,২০০ ফুট পাইপ;
শ্রীকাইল ইউনিয়ন: রোয়াচালা এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার এবং ৮০০ ফুট পাইপ;
মুরাদনগর সদর ইউনিয়ন: ইউসুফনগর এলাকা থেকে ২টি ড্রেজার এবং ১,০০০ ফুট পাইপ;
পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়ন: কোরবানপুর এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার এবং ৭০০ ফুট পাইপ;
যাত্রাপুর ইউনিয়ন: যাত্রাপুর এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার এবং ৫০০ ফুট পাইপ;
দারোরা ইউনিয়ন: বিভিন্ন স্থান থেকে ৩টি ড্রেজার এবং ১,৫০০ ফুট পাইপ;
পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়ন: নবীয়াবাদ এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার এবং ৮০০ ফুট পাইপ অপসারণ করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন জানান, "অবৈধভাবে মাটি কাটার কারণে একদিকে যেমন উর্বর কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। জনস্বার্থ ও আবাদি জমি রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
অভিযান চলাকালে স্থানীয় সচেতন মহল ও কৃষকরা প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষি জমি ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত তিন দিনের টানা সাঁড়াশি অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মোট ১১টি অবৈধ ড্রেজার ও প্রায় ৬ হাজার ৭০০ ফুট পাইপ ধ্বংস ও অপসারণ করা হয়েছে।
এ সময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩টি মামলায় ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কৃষি জমি ও পরিবেশ রক্ষায় গত রবি থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে—
বাংগরা পশ্চিম ইউনিয়ন: কুরুন্ডি, কুড়াখাল ও দিঘীরপাড় এলাকা থেকে ২টি ড্রেজার এবং ১,২০০ ফুট পাইপ;
শ্রীকাইল ইউনিয়ন: রোয়াচালা এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার এবং ৮০০ ফুট পাইপ;
মুরাদনগর সদর ইউনিয়ন: ইউসুফনগর এলাকা থেকে ২টি ড্রেজার এবং ১,০০০ ফুট পাইপ;
পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়ন: কোরবানপুর এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার এবং ৭০০ ফুট পাইপ;
যাত্রাপুর ইউনিয়ন: যাত্রাপুর এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার এবং ৫০০ ফুট পাইপ;
দারোরা ইউনিয়ন: বিভিন্ন স্থান থেকে ৩টি ড্রেজার এবং ১,৫০০ ফুট পাইপ;
পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়ন: নবীয়াবাদ এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার এবং ৮০০ ফুট পাইপ অপসারণ করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন জানান, "অবৈধভাবে মাটি কাটার কারণে একদিকে যেমন উর্বর কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। জনস্বার্থ ও আবাদি জমি রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
অভিযান চলাকালে স্থানীয় সচেতন মহল ও কৃষকরা প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
