রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ধলিরছড়া বিট কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ


মো: কবির উদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক , 1 ফলোয়ার
প্রকাশ : রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ধলিরছড়া বিট কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সংরক্ষিত ও রক্ষিত বনভূমি রক্ষায় বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মেহেরঘোনা রেঞ্জের ধলিরছড়া বিট কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সামাজিক বনায়নসহ বনভূমিতে অবৈধভাবে গাছ কাটা এবং অন্যান্য বন অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালিয়ে আসছেন তিনি। এতে বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামাজিক বনায়ন রক্ষায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। 

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সৃজিত সামাজিক বনায়ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বন অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৮ থেকে ৯ জনকে হাতে-নাতে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের কক্সবাজার বন আদালতে সোপর্দ করা হয়। নিয়মিত অভিযান, নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে বনভূমিতে অবৈধ তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।  

আব্দুস সামাদ ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের মেহেরঘোনা রেঞ্জের ধলিরছড়া বিট কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। যোগদানের পর থেকেই বনভূমি রক্ষা, বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক বনায়নের গাছ সংরক্ষণে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন তিনি। 

বন অপরাধের খবর পেলেই ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বনাঞ্চল পরিদর্শন ও নজরদারি করছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের চাপ ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে বনাঞ্চলের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

এসব এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা জোরদার হওয়ায় বনভূমি রক্ষার পাশাপাশি নতুন করে সবুজ ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে কক্সবাজারের বনাঞ্চল আরও সুরক্ষিত হবে বলে মনে করছেন তারা। 

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মারুফ হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট লেন্স অফিসার ইসমাইল হোসেনের তত্ত্বাবধানেও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বন বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বিত তৎপরতায় বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও বনভূমি সংরক্ষণের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। 

বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বন রক্ষার দায়িত্ব শুধু বন বিভাগের একার নয়। বনাঞ্চলের আশপাশের মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

সামাজিক বনায়নের গাছ ও বনভূমি রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা গেলে বন অপরাধ অনেকটাই কমানো সম্ভব। এতে কক্সবাজারের বনাঞ্চল সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্যও রক্ষা হবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ধলিরছড়া বিট কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ

প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ণ

featured Image

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সংরক্ষিত ও রক্ষিত বনভূমি রক্ষায় বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মেহেরঘোনা রেঞ্জের ধলিরছড়া বিট কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সামাজিক বনায়নসহ বনভূমিতে অবৈধভাবে গাছ কাটা এবং অন্যান্য বন অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালিয়ে আসছেন তিনি। এতে বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামাজিক বনায়ন রক্ষায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। 

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সৃজিত সামাজিক বনায়ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বন অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৮ থেকে ৯ জনকে হাতে-নাতে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের কক্সবাজার বন আদালতে সোপর্দ করা হয়। নিয়মিত অভিযান, নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে বনভূমিতে অবৈধ তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।  

আব্দুস সামাদ ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের মেহেরঘোনা রেঞ্জের ধলিরছড়া বিট কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। যোগদানের পর থেকেই বনভূমি রক্ষা, বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক বনায়নের গাছ সংরক্ষণে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন তিনি। 

বন অপরাধের খবর পেলেই ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বনাঞ্চল পরিদর্শন ও নজরদারি করছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের চাপ ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে বনাঞ্চলের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

এসব এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা জোরদার হওয়ায় বনভূমি রক্ষার পাশাপাশি নতুন করে সবুজ ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে কক্সবাজারের বনাঞ্চল আরও সুরক্ষিত হবে বলে মনে করছেন তারা। 

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মারুফ হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট লেন্স অফিসার ইসমাইল হোসেনের তত্ত্বাবধানেও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বন বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বিত তৎপরতায় বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও বনভূমি সংরক্ষণের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। 

বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বন রক্ষার দায়িত্ব শুধু বন বিভাগের একার নয়। বনাঞ্চলের আশপাশের মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

সামাজিক বনায়নের গাছ ও বনভূমি রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা গেলে বন অপরাধ অনেকটাই কমানো সম্ভব। এতে কক্সবাজারের বনাঞ্চল সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্যও রক্ষা হবে।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ধলিরছড়া বিট কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ
0:00 / 0:00
1x