শ্যামনগরে এন জি এফের উদ্যোগে ৫০০ পরিবারকে লবণাক্ততা-সহিষ্ণু চারা বিতরণ
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও উপকূলীয় এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ৫০০ পরিবারের মাঝে ৩ হাজার লবণাক্ততা-সহিষ্ণু গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী, আটুলিয়া, মুন্সিগঞ্জ, গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের নির্বাচিত উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে এসব চারা বিতরণ করা হয়।
গ্রীন ক্লাইমেট ফাউন্ডেশন (এনজিএফ)-এর অর্থায়নে, পিকেএসএফের কারিগরি সহায়তায় এবং নওয়াবেঁকি গণমুখী ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। প্রতিটি পরিবারকে ৬টি করে সর্বমোট ৩ হাজার লবণাক্ততা-সহিষ্ণু গাছের চারা দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে সবুজায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিতরণ করা চারাগুলো বেড়ে উঠলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, কার্বন শোষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ফলজ ও বনজ গাছ ভবিষ্যতে উপকারভোগী পরিবারের পুষ্টি ও আয় বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরএইচএল প্রকল্প, এনজিএফের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মাসুদুল হক।
তিনি উপকারভোগীদের উদ্দেশে বলেন, বিতরণ করা চারাগুলো শুধু বাড়ির আঙিনায় রোপণ করলেই হবে না; নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি চারাকে গাছ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে পরিবার ও পরিবেশ—উভয়ই উপকৃত হবে।
আয়োজকরা জানান, উপকূলীয় এলাকায় সবুজায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার উদ্যোগ রয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে এন জি এফের উদ্যোগে ৫০০ পরিবারকে লবণাক্ততা-সহিষ্ণু চারা বিতরণ
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও উপকূলীয় এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ৫০০ পরিবারের মাঝে ৩ হাজার লবণাক্ততা-সহিষ্ণু গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী, আটুলিয়া, মুন্সিগঞ্জ, গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের নির্বাচিত উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে এসব চারা বিতরণ করা হয়।
গ্রীন ক্লাইমেট ফাউন্ডেশন (এনজিএফ)-এর অর্থায়নে, পিকেএসএফের কারিগরি সহায়তায় এবং নওয়াবেঁকি গণমুখী ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। প্রতিটি পরিবারকে ৬টি করে সর্বমোট ৩ হাজার লবণাক্ততা-সহিষ্ণু গাছের চারা দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে সবুজায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিতরণ করা চারাগুলো বেড়ে উঠলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, কার্বন শোষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ফলজ ও বনজ গাছ ভবিষ্যতে উপকারভোগী পরিবারের পুষ্টি ও আয় বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরএইচএল প্রকল্প, এনজিএফের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মাসুদুল হক।
তিনি উপকারভোগীদের উদ্দেশে বলেন, বিতরণ করা চারাগুলো শুধু বাড়ির আঙিনায় রোপণ করলেই হবে না; নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি চারাকে গাছ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে পরিবার ও পরিবেশ—উভয়ই উপকৃত হবে।
আয়োজকরা জানান, উপকূলীয় এলাকায় সবুজায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার উদ্যোগ রয়েছে।
