কুমিল্লায় জেলা পুলিশের ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজা ও ৪৪৩ পিস ইয়াবাসহ মোট ১৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান, পিপিএমের দিকনির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ একযোগে এ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদক চক্রের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৫৪টি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজা ও ৪৪৩ পিস ইয়াবাসহ ১০ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ২৫ জন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন অপরাধে জড়িত পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলার আরও ৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা, মোবাইল কোর্ট এবং বিজ্ঞ বিচারিক আদালতের সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল)-এর মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং নিরাপদ কুমিল্লা গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এই অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সামনের দিনগুলোতে আমাদের এই কঠোর অভিযান আরও জোরদার করা হবে।"
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ণ
কুমিল্লায় জেলা পুলিশের ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজা ও ৪৪৩ পিস ইয়াবাসহ মোট ১৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান, পিপিএমের দিকনির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ একযোগে এ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদক চক্রের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৫৪টি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজা ও ৪৪৩ পিস ইয়াবাসহ ১০ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ২৫ জন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন অপরাধে জড়িত পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলার আরও ৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা, মোবাইল কোর্ট এবং বিজ্ঞ বিচারিক আদালতের সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল)-এর মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং নিরাপদ কুমিল্লা গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এই অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সামনের দিনগুলোতে আমাদের এই কঠোর অভিযান আরও জোরদার করা হবে।"
