বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে গতকাল রাতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জ্বালানি তেল লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। এতে জনজীবন আরো বিপর্যস্ত হওয়ার শংকায় অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে খেলাফত মজলিস।
আজ এক বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, সরকার জ্বালানি তেল লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়িয়ে জনজীবনকে বিপর্যস্তকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এতে মানুষের টিকে থাকা চরম কঠিন হবে। দেশে মূল্যস্ফীতি এখনো ৮ শতাংশের বেশি। এ সময়ে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ানোয় মূল্যস্ফীতি আরেক দফা বাড়বে। বিগত ৫ মাসে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। গতকাল আবার তেলের দাম বাড়াল। এরপর হয়তো গ্যাসের দামও বাড়াবে। মানুষের টিকে থাকা চরম কঠিন হবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০-১৪৪ শতাংশ বৃদ্ধিতে মাত্র ১৪ লাখ মানুষের বেতন ও জীবনমান বাড়ল। কিন্তু সিংহভাগ সাধারণ জনগণের অবস্থা এখনো করুণ। মানুষের যদি ক্রয় ক্ষমতা না থাকে, শুল্ক-কর কোথা থেকে আসবে? তার মানে হলো, তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার যতটুকু ভর্তুকি কমাবে, তার চেয়ে বেশি রাজস্ব হারাবে এবং জনগণের জীবন-জীবিকা দুর্বিসহ করে তুলবে। আমরা অবিলম্বে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবি জানাচ্ছি। বর্ধিত জ্বালানি মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে গতকাল রাতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জ্বালানি তেল লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। এতে জনজীবন আরো বিপর্যস্ত হওয়ার শংকায় অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে খেলাফত মজলিস।
আজ এক বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, সরকার জ্বালানি তেল লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়িয়ে জনজীবনকে বিপর্যস্তকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এতে মানুষের টিকে থাকা চরম কঠিন হবে। দেশে মূল্যস্ফীতি এখনো ৮ শতাংশের বেশি। এ সময়ে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ানোয় মূল্যস্ফীতি আরেক দফা বাড়বে। বিগত ৫ মাসে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। গতকাল আবার তেলের দাম বাড়াল। এরপর হয়তো গ্যাসের দামও বাড়াবে। মানুষের টিকে থাকা চরম কঠিন হবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০-১৪৪ শতাংশ বৃদ্ধিতে মাত্র ১৪ লাখ মানুষের বেতন ও জীবনমান বাড়ল। কিন্তু সিংহভাগ সাধারণ জনগণের অবস্থা এখনো করুণ। মানুষের যদি ক্রয় ক্ষমতা না থাকে, শুল্ক-কর কোথা থেকে আসবে? তার মানে হলো, তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার যতটুকু ভর্তুকি কমাবে, তার চেয়ে বেশি রাজস্ব হারাবে এবং জনগণের জীবন-জীবিকা দুর্বিসহ করে তুলবে। আমরা অবিলম্বে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবি জানাচ্ছি। বর্ধিত জ্বালানি মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
