রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

রাজপথের অগ্নিপরীক্ষিত সৈনিক: শফিকুল ইসলাম


তৌহিদ হাসান
জামালপুর জেলা প্রতিনিধি , 2 ফলোয়ার
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

রাজপথের অগ্নিপরীক্ষিত সৈনিক: শফিকুল ইসলাম

তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক অকুতোভয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শফিকুল ইসলাম শফিক। জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ২নং কড়ইচড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া এই নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শে উজ্জীবিত এক নিষ্ঠাবান সৈনিক। হামলা, মামলা, জুলুম ও রাজনৈতিক নিপীড়নের মুখেও যিনি মাদারগঞ্জের রাজপথে বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছেন অবিচল আস্থার প্রতীক হয়ে। ​২০০০ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে শফিকুল ইসলামের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। সূচনাতেই তিনি ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। স্বীয় সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে খুব অল্প সময়েই কড়ইচড়া ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে জাতীয়তাবাদী শক্তির বিস্তার ঘটান তিনি। মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির তৎকালীন সভাপতি ফাইজুল ইসলাম লাঞ্জু এবং বর্তমান সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়ার হাত ধরে রাজনীতির মাঠ কাঁপানো শুরু করেন শফিক। পরবর্তীতে ২নং কড়ইচড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হন।

​১/১১ এর নির্যাতন ও প্রবাসের সংগ্রাম 

​২০০৬ সালে মইন-ফখরুদ্দীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরম শিকার হন শফিকুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে ৩টি বানোয়াট ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হলে তিনি দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ও আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে পরিবারের সুরক্ষার কথা ভেবে ২০০৭ সালে তিনি প্রবাসে পাড়ি জমান। কিন্তু প্রবাসে থেকেও জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ভুলে যাননি। মালয়েশিয়া যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভিত্তিকে মজবুত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ​দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে তার পরিবার বিএনপি সমর্থিত হওয়ায় প্রতিনিয়ত নানামুখী বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার হয়। অবশেষে স্বৈরাচারী শাসনের শিকড় উপড়ে ফেলার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ২০২২ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। রাজপথে ফিরে এসেই দলীয় প্রতিটি কর্মসূচিতে সশরীরে অংশ নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামকে বেগবান করেন। ​বর্তমানে শফিকুল ইসলাম শফিক ২নং কড়ইচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সম্মানিত সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের মায়া ত্যাগ করে রাজপথে নেমে আসা এই ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকে দলে উপযুক্ত মূল্যায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন কড়ইচড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও দলীয় অনুসারীরা। সাধারণ নেতাকর্মীদের বিশ্বাস, ত্যাগের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ এই রাজপথের প্রবীণ সৈনিককে যোগ্য স্থানে বসানো হলে মাদারগঞ্জে জাতীয়তাবাদী শক্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


রাজপথের অগ্নিপরীক্ষিত সৈনিক: শফিকুল ইসলাম

প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ণ

featured Image

তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক অকুতোভয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শফিকুল ইসলাম শফিক। জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ২নং কড়ইচড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া এই নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শে উজ্জীবিত এক নিষ্ঠাবান সৈনিক। হামলা, মামলা, জুলুম ও রাজনৈতিক নিপীড়নের মুখেও যিনি মাদারগঞ্জের রাজপথে বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছেন অবিচল আস্থার প্রতীক হয়ে। ​২০০০ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে শফিকুল ইসলামের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। সূচনাতেই তিনি ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। স্বীয় সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে খুব অল্প সময়েই কড়ইচড়া ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে জাতীয়তাবাদী শক্তির বিস্তার ঘটান তিনি। মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির তৎকালীন সভাপতি ফাইজুল ইসলাম লাঞ্জু এবং বর্তমান সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়ার হাত ধরে রাজনীতির মাঠ কাঁপানো শুরু করেন শফিক। পরবর্তীতে ২নং কড়ইচড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হন।

​১/১১ এর নির্যাতন ও প্রবাসের সংগ্রাম 

​২০০৬ সালে মইন-ফখরুদ্দীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরম শিকার হন শফিকুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে ৩টি বানোয়াট ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হলে তিনি দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ও আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে পরিবারের সুরক্ষার কথা ভেবে ২০০৭ সালে তিনি প্রবাসে পাড়ি জমান। কিন্তু প্রবাসে থেকেও জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ভুলে যাননি। মালয়েশিয়া যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভিত্তিকে মজবুত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ​দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে তার পরিবার বিএনপি সমর্থিত হওয়ায় প্রতিনিয়ত নানামুখী বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার হয়। অবশেষে স্বৈরাচারী শাসনের শিকড় উপড়ে ফেলার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ২০২২ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। রাজপথে ফিরে এসেই দলীয় প্রতিটি কর্মসূচিতে সশরীরে অংশ নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামকে বেগবান করেন। ​বর্তমানে শফিকুল ইসলাম শফিক ২নং কড়ইচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সম্মানিত সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের মায়া ত্যাগ করে রাজপথে নেমে আসা এই ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকে দলে উপযুক্ত মূল্যায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন কড়ইচড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও দলীয় অনুসারীরা। সাধারণ নেতাকর্মীদের বিশ্বাস, ত্যাগের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ এই রাজপথের প্রবীণ সৈনিককে যোগ্য স্থানে বসানো হলে মাদারগঞ্জে জাতীয়তাবাদী শক্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
রাজপথের অগ্নিপরীক্ষিত সৈনিক: শফিকুল ইসলাম
0:00 / 0:00
1x