সম্প্রীতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মণিরামপুরকে জড়িয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে একটি ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পেজটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।সম্প্রতি ‘সনাতন ধর্ম’ নামে একটি ফেসবুক পেজে আগুন লাগার একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করা হয়, যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ২৫টি সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের বাড়িতে চাঁদার দাবিতে আগুন দেওয়া হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।তবে মণিরামপুর উপজেলায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, মণিরামপুরের কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়—এমন একটি ভিডিওকে স্থানীয় ঘটনার সঙ্গে জুড়ে প্রচার করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উক্ত ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে বিভ্রান্তিকর ভিডিওটি যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য বা ভিডিও যাচাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করতে এবং স্থানীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
সম্প্রীতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মণিরামপুরকে জড়িয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে একটি ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পেজটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।সম্প্রতি ‘সনাতন ধর্ম’ নামে একটি ফেসবুক পেজে আগুন লাগার একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করা হয়, যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ২৫টি সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের বাড়িতে চাঁদার দাবিতে আগুন দেওয়া হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।তবে মণিরামপুর উপজেলায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, মণিরামপুরের কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়—এমন একটি ভিডিওকে স্থানীয় ঘটনার সঙ্গে জুড়ে প্রচার করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উক্ত ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে বিভ্রান্তিকর ভিডিওটি যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য বা ভিডিও যাচাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করতে এবং স্থানীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
