সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ তথ্য ও অন্তরঙ্গ ছবি ছড়িয়ে এক নারীকে ব্ল্যাকমেইলিং এবং মানহানির অভিযোগে দায়ের করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় এজাহারনামীয় আসামি মোঃ সায়দুর রহমান (৪২)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে র্যাব-১২ এর সহযোগিতায় মেহেরপুর সদর পৌরসভার কলেজপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ভিকটিমের বিবাহ বিচ্ছেদের পর তাঁর সাবেক সহকর্মী সায়দুর রহমানসহ অন্য আসামিরা ভিকটিমের কর্মস্থলের সহকর্মীদের যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুৎসা রটাতে থাকেন।
পরে তাঁরা ভিকটিমের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি করেন এবং ব্ল্যাকমেইল শুরু করেন। এমনকি ভিকটিমের নামে একাধিক ভুয়া (ফেইক) ফেসবুক আইডি খুলে পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের কাছে আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে তাঁর সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়।
গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় ভিকটিম নিজের নামের একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে মিথ্যা প্রচারণার বিষয়টি দেখতে পান।
এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনপত্রের প্রেক্ষিতে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকায় র্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের একটি দল মেহেরপুরে অভিযান চালিয়ে সায়দুর রহমানকে গ্রেফতার করে।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ তথ্য ও অন্তরঙ্গ ছবি ছড়িয়ে এক নারীকে ব্ল্যাকমেইলিং এবং মানহানির অভিযোগে দায়ের করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় এজাহারনামীয় আসামি মোঃ সায়দুর রহমান (৪২)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে র্যাব-১২ এর সহযোগিতায় মেহেরপুর সদর পৌরসভার কলেজপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ভিকটিমের বিবাহ বিচ্ছেদের পর তাঁর সাবেক সহকর্মী সায়দুর রহমানসহ অন্য আসামিরা ভিকটিমের কর্মস্থলের সহকর্মীদের যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুৎসা রটাতে থাকেন।
পরে তাঁরা ভিকটিমের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি করেন এবং ব্ল্যাকমেইল শুরু করেন। এমনকি ভিকটিমের নামে একাধিক ভুয়া (ফেইক) ফেসবুক আইডি খুলে পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের কাছে আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে তাঁর সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়।
গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় ভিকটিম নিজের নামের একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে মিথ্যা প্রচারণার বিষয়টি দেখতে পান।
এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনপত্রের প্রেক্ষিতে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকায় র্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের একটি দল মেহেরপুরে অভিযান চালিয়ে সায়দুর রহমানকে গ্রেফতার করে।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
