পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বোদা পৌর নগরকুমারী হাটে গাভীন গরু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ৫৯ হাজার টাকায় কেনা একটি গরু গাভীন নয় বলে জানা গেলে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গরুটি হাটে ফেরত আনা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রেতা, বিক্রেতা ও হাট ইজারাদার পক্ষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাট সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট নগরকুমারী হাট থেকে ফাড়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মমিনুল ইসলাম বোদা উপজেলার গরু ব্যবসায়ী ইয়াছিনের কাছ থেকে ৫৯ হাজার টাকায় একটি গাভীন গরু ক্রয় করেন। বিক্রেতা গরুটি গাভীন বলে দাবি করেই তা বিক্রি করেছিলেন।
তবে গরুটি বাড়িতে নেওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে মমিনুল ইসলাম নিশ্চিত হন যে, গরুটি আসলে গর্ভবতী নয়। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
পরবর্তীতে ইজারাদার পক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী শনিবার মমিনুল ইসলামের ছেলে গরুটি পুনরায় নগরকুমারী হাটে নিয়ে আসেন এবং বিক্রেতার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে হাটে গাভীন গরু পরীক্ষা করার দায়িত্বে থাকা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “যাদের গরু প্রকৃতপক্ষে গাভীন থাকে, কেবল তাদেরকেই আমি লিখিত সনদ দেই। অন্যথায় কোনো ধরনের লিখিত দিই না।”
হাট ইজারাদার মো. শাহীন বলেন, “ক্রেতার পক্ষ থেকে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। হাটের নিয়ম অনুযায়ী ক্রেতার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে।”
এদিকে হাটে আসা সাধারণ ক্রেতা ও স্থানীয়রা জানান, গাভীন গরুর নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণা করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ধরনের প্রতারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সাধারণ মানুষের হাটে গরু কেনাবেচার প্রতি আস্থা কমে যাবে।
উল্লেখ্য, একই দিনে সকালেও আরেকজন ক্রেতা গাভীন গরু নিয়ে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগে গরুটি হাটে নিয়ে আসেন। পরে বিক্রেতা গরুটি ফেরত নিয়ে ক্রেতার টাকা ফেরত দেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বোদা পৌর নগরকুমারী হাটে গাভীন গরু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ৫৯ হাজার টাকায় কেনা একটি গরু গাভীন নয় বলে জানা গেলে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গরুটি হাটে ফেরত আনা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রেতা, বিক্রেতা ও হাট ইজারাদার পক্ষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাট সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট নগরকুমারী হাট থেকে ফাড়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মমিনুল ইসলাম বোদা উপজেলার গরু ব্যবসায়ী ইয়াছিনের কাছ থেকে ৫৯ হাজার টাকায় একটি গাভীন গরু ক্রয় করেন। বিক্রেতা গরুটি গাভীন বলে দাবি করেই তা বিক্রি করেছিলেন।
তবে গরুটি বাড়িতে নেওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে মমিনুল ইসলাম নিশ্চিত হন যে, গরুটি আসলে গর্ভবতী নয়। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
পরবর্তীতে ইজারাদার পক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী শনিবার মমিনুল ইসলামের ছেলে গরুটি পুনরায় নগরকুমারী হাটে নিয়ে আসেন এবং বিক্রেতার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে হাটে গাভীন গরু পরীক্ষা করার দায়িত্বে থাকা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “যাদের গরু প্রকৃতপক্ষে গাভীন থাকে, কেবল তাদেরকেই আমি লিখিত সনদ দেই। অন্যথায় কোনো ধরনের লিখিত দিই না।”
হাট ইজারাদার মো. শাহীন বলেন, “ক্রেতার পক্ষ থেকে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। হাটের নিয়ম অনুযায়ী ক্রেতার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে।”
এদিকে হাটে আসা সাধারণ ক্রেতা ও স্থানীয়রা জানান, গাভীন গরুর নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণা করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ধরনের প্রতারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সাধারণ মানুষের হাটে গরু কেনাবেচার প্রতি আস্থা কমে যাবে।
উল্লেখ্য, একই দিনে সকালেও আরেকজন ক্রেতা গাভীন গরু নিয়ে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগে গরুটি হাটে নিয়ে আসেন। পরে বিক্রেতা গরুটি ফেরত নিয়ে ক্রেতার টাকা ফেরত দেন।
