রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

অপহরণের দুই দিন পর লেদা ক্যাম্পের কিশোরী উদ্ধার


মো: শাহজাহান বাশার
সাব এডিটর , 1 ফলোয়ার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

অপহরণের দুই দিন পর লেদা ক্যাম্পের কিশোরী উদ্ধার
অপহরণের দুই দিন পর লেদা ক্যাম্পের কিশোরী উদ্ধার, পালিয়েছে অভিযুক্ত

কক্সবাজারের টেকনাফে অপহরণের অভিযোগ ওঠার দুই দিন পর পারভীন (১৫) নামে এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) লেদা ক্যাম্পের সদস্যরা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম হ্নীলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত সাকিবুল হাসান (২০) কিশোরীকে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে এপিবিএন।

উদ্ধার হওয়া কিশোরী পারভীন টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ/এলএমএস ব্লকের ৯৯ নম্বর ঘরের বাসিন্দা সামশু আলমের মেয়ে। অভিযুক্ত সাকিবুল হাসান হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী নামার পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

এপিবিএন সূত্র জানায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে কিশোরী পারভীনকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে সাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানার পর তাকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ এপিবিএনের লেদা ক্যাম্পের সিআইসি শাহরিয়ার বিন মান্নানের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) শাহীন হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিম হ্নীলা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে এপিবিএন সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সাকিবুল হাসান কিশোরীকে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে এপিবিএনের সদস্যরা পারভীনকে নিরাপদে উদ্ধার করে লেদা ক্যাম্পে নিয়ে যান। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, দুপুর আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে তাকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পর কিশোরীকে প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষার জন্য কক্সবাজারের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে কিশোরীকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। পাশাপাশি ঘটনাটি লেদা এপিবিএন ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিতেও (জিডি) লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত সাকিবুল হাসানকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে আইনের আওতায় আনতে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদার মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরী উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, কিশোরীকে দ্রুত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


অপহরণের দুই দিন পর লেদা ক্যাম্পের কিশোরী উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ

featured Image

কক্সবাজারের টেকনাফে অপহরণের অভিযোগ ওঠার দুই দিন পর পারভীন (১৫) নামে এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) লেদা ক্যাম্পের সদস্যরা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম হ্নীলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত সাকিবুল হাসান (২০) কিশোরীকে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে এপিবিএন।

উদ্ধার হওয়া কিশোরী পারভীন টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ/এলএমএস ব্লকের ৯৯ নম্বর ঘরের বাসিন্দা সামশু আলমের মেয়ে। অভিযুক্ত সাকিবুল হাসান হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী নামার পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

এপিবিএন সূত্র জানায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে কিশোরী পারভীনকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে সাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানার পর তাকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ এপিবিএনের লেদা ক্যাম্পের সিআইসি শাহরিয়ার বিন মান্নানের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) শাহীন হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিম হ্নীলা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে এপিবিএন সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সাকিবুল হাসান কিশোরীকে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে এপিবিএনের সদস্যরা পারভীনকে নিরাপদে উদ্ধার করে লেদা ক্যাম্পে নিয়ে যান। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, দুপুর আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে তাকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পর কিশোরীকে প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষার জন্য কক্সবাজারের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে কিশোরীকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। পাশাপাশি ঘটনাটি লেদা এপিবিএন ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিতেও (জিডি) লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত সাকিবুল হাসানকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে আইনের আওতায় আনতে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদার মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরী উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, কিশোরীকে দ্রুত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
অপহরণের দুই দিন পর লেদা ক্যাম্পের কিশোরী উদ্ধার
0:00 / 0:00
1x