ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল এলাকায় উল্টো পথে আসা এক বেপরোয়া অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় শহিদুল ইসলাম ৫৩ নামে এক পথচারী মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন।
ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করার পাশাপাশি চালককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ ভোর আনুমানিক ৫:২৩ ঘটিকার সময় ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানাধীন বৈলর ইউনিয়নের সম্মুখ বৈলর দারুত তাকুওয়া হিফজ মাদ্রাসার সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ভিকটিম শহিদুল ইসলাম ৫৩ সরকারি পাকা রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় ময়মনসিংহ দিক থেকে আসা একটি অজ্ঞাতনামা অ্যাম্বুলেন্স অত্যন্ত দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে রং সাইডে উল্টো পথে এসে শহিদুল ইসলামকে পিছন দিক থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার চোটে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকেন।
খবর পেয়ে ত্রিশাল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের ভাই আব্দুল কাদের ৬৫ বাদী হয়ে ত্রিশাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ১০৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয় মামলা নং-১৬, তারিখ: ০৮/০৯/২০২৬।
মামলা রুজুর পর ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত শেখ গোলাম মোস্তফা রুবেলের নেতৃত্বে এসআই মোঃ সবুজ মিয়া ও এসআই তারেক হাসানসহ একটি চৌকস দল অভিযানে নামে।
পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও নিজস্ব সোর্সের সহায়তায় ত্রিশাল, কোতোয়ালী ও গফরগাঁও থানা এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের ধারাবাহিকতায় ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক অ্যাম্বুলেন্স চালক মোঃ জুবায়ের আনসারী ১৯-কে গ্রেফতার করা হয় এবং দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকা মেট্রো-ছ-১১-১০৬৮ জব্দ করা হয়।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ণ
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল এলাকায় উল্টো পথে আসা এক বেপরোয়া অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় শহিদুল ইসলাম ৫৩ নামে এক পথচারী মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন।
ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করার পাশাপাশি চালককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ ভোর আনুমানিক ৫:২৩ ঘটিকার সময় ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানাধীন বৈলর ইউনিয়নের সম্মুখ বৈলর দারুত তাকুওয়া হিফজ মাদ্রাসার সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ভিকটিম শহিদুল ইসলাম ৫৩ সরকারি পাকা রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় ময়মনসিংহ দিক থেকে আসা একটি অজ্ঞাতনামা অ্যাম্বুলেন্স অত্যন্ত দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে রং সাইডে উল্টো পথে এসে শহিদুল ইসলামকে পিছন দিক থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার চোটে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকেন।
খবর পেয়ে ত্রিশাল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের ভাই আব্দুল কাদের ৬৫ বাদী হয়ে ত্রিশাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ১০৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয় মামলা নং-১৬, তারিখ: ০৮/০৯/২০২৬।
মামলা রুজুর পর ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত শেখ গোলাম মোস্তফা রুবেলের নেতৃত্বে এসআই মোঃ সবুজ মিয়া ও এসআই তারেক হাসানসহ একটি চৌকস দল অভিযানে নামে।
পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও নিজস্ব সোর্সের সহায়তায় ত্রিশাল, কোতোয়ালী ও গফরগাঁও থানা এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের ধারাবাহিকতায় ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক অ্যাম্বুলেন্স চালক মোঃ জুবায়ের আনসারী ১৯-কে গ্রেফতার করা হয় এবং দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকা মেট্রো-ছ-১১-১০৬৮ জব্দ করা হয়।
