চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানা পুলিশ কর্তৃক থানা এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ১জন মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবন করে জনসাধারণের মধ্যে বিঘ্ন সৃষ্টিকালে ৬জন আসামী, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা মূলে ৩জন এবং নিয়মিত (চুরি) মামলায় আলামত উদ্ধার ও ১জন আসামীসহ মোট ১১ জন আসামী গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ৬ জনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছে। এদিকে কৌশল পাল্টে আসল সন্রাসীরা অধরাই রয়েছে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় এবং চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে গত বুধবার, ২রা সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চন্দনাইশ থানা এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ৫০০ টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলো ইসমাইল (২৩), মো: রাসলে (২০), মো: ইকবাল হোসেন (২০), খালেদ হোসেন (৩৭), মোঃ আজিজ (৩০) ও ২০০ টাকা অর্থদন্ড ও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী হলো নাজিম উদ্দিন (৩০)।আরও পড়ুন সিল-সই জালিয়াতি, কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড মাদকদ্রব্য আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫), ধারায় দায়েরকৃত পৃথক ৬টি মোবাইল কোর্ট মামলায় কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এই সাজা প্রদান করেন।অপরদিকে দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ চন্দনাইশ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চন্দনাইশ থানাধীন দোহাজারী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের দোহাজারী সদর উল্লাপাড়া টিপুর বাড়ীর পাশে এস.এম সাইফুদ্দীন এর বসতঘরে আসামী এস.এম সাইফুদ্দীন (৩৯) এর দখল ও হেফাজত হইতে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা। পরে তাকে আটক করা হয়। এর বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করা হয়।আরও পড়ুন গাঁজাসহ আটক স্বামী: কারাগারে সাক্ষাতে নতুন তথ্য
এসআই (নিঃ) সায়ীদুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চন্দনাইশ থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০১/০৯/২০২৬খ্রি. ধারা-৩৮০ পেনাল কোড এর ঘটনার জড়িত আসামী মোঃ মোরশেদ (২২) পিতা* -মোঃ নুরুখান প্রঃ নুরুল খান, গ্রাম-দোহাজারী, ২নং ওয়ার্ড, মজিদ মেম্বারের বাড়ী, থানা-চন্দনাইশ, জেলা-চট্টগ্রামকে গত ২রা সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহার দেওয়া তথ্য মতে চন্দনাইশ থানাধীন হাশিমপুর ইউনিয়নের সুনন্দরাম বৌদ্ধ বিহার এর পূর্ব পাশে ডোবা সংলগ্ন রাস্তার পাশে জঙ্গল হইতে কম্পিউটারের ২টি চোরাই পিসি খোলা অবস্থায় উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারী পরোয়ানা মূলে এনআইএ্যাক্ট এর ১৩৮ এর গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী মোঃ শহিদ উল্লাহ, ভুমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন ৭/১০ এর গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী আব্দুল বাকের ও ভুমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন ৭/১০ এর গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী মোঃ রিয়াদকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ছন্দনাইশ উপজেলাকে মাদক ও ইয়াবা সন্রাসী মুক্ত করতে স্থানীয় এমপি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলে সুএে জানাযায়। হাসিমপুর ইউনিয়নে ২ নম্বর ওয়ার্ড মাদক ইয়াবা সন্রাসীদের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে বলে দাবি করে ভুক্তভোগী আবদুল খালেক মুন্না গত ২২ আগষ্ট বার্মা কলোনির মমতাজ ও মুহাম্মদ করিম এর নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ে করেছে। বিষয়টি তিনি তদন্ত সাপেক্ষে মমতাজ ও করিম কে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। আবদুল খালেক মুন্না দাবি করেন করিম মমতাজ দুর্ধর্ষ সন্রাসী চাঁদাবাজ ও
মাদক ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী, মমতাজ করিম সিন্ডিকেট গঠন করে নানান অপকর্ম করছে পুলিশ প্রশাসনে চোখ ফাঁকি দিয়ে। তাদের অপকর্মের বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করার দাবি জানান ভুক্তভোগী আবদুল খালেক মুন্না। চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস. এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের লক্ষে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ইয়াবা সমাজ বিরোধী সন্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
আসামিদের বিষয় তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানা পুলিশ কর্তৃক থানা এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ১জন মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবন করে জনসাধারণের মধ্যে বিঘ্ন সৃষ্টিকালে ৬জন আসামী, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা মূলে ৩জন এবং নিয়মিত (চুরি) মামলায় আলামত উদ্ধার ও ১জন আসামীসহ মোট ১১ জন আসামী গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ৬ জনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছে। এদিকে কৌশল পাল্টে আসল সন্রাসীরা অধরাই রয়েছে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় এবং চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে গত বুধবার, ২রা সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চন্দনাইশ থানা এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ৫০০ টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলো ইসমাইল (২৩), মো: রাসলে (২০), মো: ইকবাল হোসেন (২০), খালেদ হোসেন (৩৭), মোঃ আজিজ (৩০) ও ২০০ টাকা অর্থদন্ড ও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী হলো নাজিম উদ্দিন (৩০)।আরও পড়ুন সিল-সই জালিয়াতি, কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড মাদকদ্রব্য আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫), ধারায় দায়েরকৃত পৃথক ৬টি মোবাইল কোর্ট মামলায় কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এই সাজা প্রদান করেন।অপরদিকে দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ চন্দনাইশ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চন্দনাইশ থানাধীন দোহাজারী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের দোহাজারী সদর উল্লাপাড়া টিপুর বাড়ীর পাশে এস.এম সাইফুদ্দীন এর বসতঘরে আসামী এস.এম সাইফুদ্দীন (৩৯) এর দখল ও হেফাজত হইতে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা। পরে তাকে আটক করা হয়। এর বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করা হয়।আরও পড়ুন গাঁজাসহ আটক স্বামী: কারাগারে সাক্ষাতে নতুন তথ্য
এসআই (নিঃ) সায়ীদুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চন্দনাইশ থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০১/০৯/২০২৬খ্রি. ধারা-৩৮০ পেনাল কোড এর ঘটনার জড়িত আসামী মোঃ মোরশেদ (২২) পিতা* -মোঃ নুরুখান প্রঃ নুরুল খান, গ্রাম-দোহাজারী, ২নং ওয়ার্ড, মজিদ মেম্বারের বাড়ী, থানা-চন্দনাইশ, জেলা-চট্টগ্রামকে গত ২রা সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহার দেওয়া তথ্য মতে চন্দনাইশ থানাধীন হাশিমপুর ইউনিয়নের সুনন্দরাম বৌদ্ধ বিহার এর পূর্ব পাশে ডোবা সংলগ্ন রাস্তার পাশে জঙ্গল হইতে কম্পিউটারের ২টি চোরাই পিসি খোলা অবস্থায় উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারী পরোয়ানা মূলে এনআইএ্যাক্ট এর ১৩৮ এর গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী মোঃ শহিদ উল্লাহ, ভুমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন ৭/১০ এর গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী আব্দুল বাকের ও ভুমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন ৭/১০ এর গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী মোঃ রিয়াদকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ছন্দনাইশ উপজেলাকে মাদক ও ইয়াবা সন্রাসী মুক্ত করতে স্থানীয় এমপি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলে সুএে জানাযায়। হাসিমপুর ইউনিয়নে ২ নম্বর ওয়ার্ড মাদক ইয়াবা সন্রাসীদের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে বলে দাবি করে ভুক্তভোগী আবদুল খালেক মুন্না গত ২২ আগষ্ট বার্মা কলোনির মমতাজ ও মুহাম্মদ করিম এর নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ে করেছে। বিষয়টি তিনি তদন্ত সাপেক্ষে মমতাজ ও করিম কে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। আবদুল খালেক মুন্না দাবি করেন করিম মমতাজ দুর্ধর্ষ সন্রাসী চাঁদাবাজ ও
মাদক ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী, মমতাজ করিম সিন্ডিকেট গঠন করে নানান অপকর্ম করছে পুলিশ প্রশাসনে চোখ ফাঁকি দিয়ে। তাদের অপকর্মের বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করার দাবি জানান ভুক্তভোগী আবদুল খালেক মুন্না। চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস. এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের লক্ষে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ইয়াবা সমাজ বিরোধী সন্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
আসামিদের বিষয় তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
