গাজীপুরের কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিনটি মামলায় তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) খলাপাড়া ও বাসাইর বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব আল-আমিন হালদার (১৯১১৫) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ৫২ ধারায় সিয়াম বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, খলাপাড়াকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ৪০(খ) ও (গ) ধারায় পৃথক দুটি মামলায় আরও ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে সবুজ মেডিকেল হলের তাপস ধর (৩৩), পিতা—বিষ্ণু চন্দ্র ধরকে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করায় ৩ হাজার টাকা এবং ভাই ভাই মেডিকেল হলের জামিল আহমেদ (৩৯), পিতা—ওসমান গণিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ সংরক্ষণ করায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মহিউদ্দীন ওয়ারেছী, পরিদর্শক, বিএসটিআই, গাজীপুর এবং তানজিনা আফরিন, ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, গাজীপুর। বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।
অভিযানে মোট ৩টি মামলা করা হয় এবং সর্বমোট ৫৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। এ সময় কোনো কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে ওষুধের মান ও মেয়াদ নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়িক কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট আইন যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ণ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিনটি মামলায় তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) খলাপাড়া ও বাসাইর বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব আল-আমিন হালদার (১৯১১৫) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ৫২ ধারায় সিয়াম বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, খলাপাড়াকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ৪০(খ) ও (গ) ধারায় পৃথক দুটি মামলায় আরও ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে সবুজ মেডিকেল হলের তাপস ধর (৩৩), পিতা—বিষ্ণু চন্দ্র ধরকে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করায় ৩ হাজার টাকা এবং ভাই ভাই মেডিকেল হলের জামিল আহমেদ (৩৯), পিতা—ওসমান গণিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ সংরক্ষণ করায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মহিউদ্দীন ওয়ারেছী, পরিদর্শক, বিএসটিআই, গাজীপুর এবং তানজিনা আফরিন, ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, গাজীপুর। বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।
অভিযানে মোট ৩টি মামলা করা হয় এবং সর্বমোট ৫৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। এ সময় কোনো কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে ওষুধের মান ও মেয়াদ নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়িক কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট আইন যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
