পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া বিহারী লাল মিত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক ছাত্রের ওপর শারীরিক নির্যাতন এবং অভিভাবকদের সঙ্গে অসদাচরণের জেরে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিদ্যালয় উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় কতৃক শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন জব্দ করার পর তা নিতে আসা অভিভাবকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন প্রধান শিক্ষক।
এর রেশ কাটতে না কাটতেই বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক শাহ আলম দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রহমতকে শৌচাগার থেকে ফেরার পথে বাইরে যাওয়ার অজুহাতে বেধড়ক মারধর করেন।
অভিযোগ রয়েছে, ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীর কলার ধরে দ্বিতীয় তলা থেকে টেনেহিঁচড়ে নিচতলায় নামান এবং তার শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন। এই আকস্মিক নির্যাতন ও আতঙ্কে শিক্ষার্থীটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
সহপাঠীর ওপর এমন অমানবিক নির্যাতনের খবর ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা বিদ্যালয়ের মূল ফটক অবরুদ্ধ করে ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
দীর্ঘক্ষণ আন্দোলন চলার পর শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা হয়।
আলোচনায় ছাত্রপক্ষের দাবি মেনে একটি সমঝোতায় পৌঁছায় কর্তৃপক্ষ।
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসা ও নতুন পোশাক প্রদান করা হবে।
ওই শিক্ষার্থীর ফরম পূরণসহ পড়াশোনার যাবতীয় খরচ প্রধান শিক্ষক নিজে বহন করবেন।
প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অভিভাবকদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া বিহারী লাল মিত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক ছাত্রের ওপর শারীরিক নির্যাতন এবং অভিভাবকদের সঙ্গে অসদাচরণের জেরে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিদ্যালয় উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় কতৃক শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন জব্দ করার পর তা নিতে আসা অভিভাবকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন প্রধান শিক্ষক।
এর রেশ কাটতে না কাটতেই বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক শাহ আলম দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রহমতকে শৌচাগার থেকে ফেরার পথে বাইরে যাওয়ার অজুহাতে বেধড়ক মারধর করেন।
অভিযোগ রয়েছে, ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীর কলার ধরে দ্বিতীয় তলা থেকে টেনেহিঁচড়ে নিচতলায় নামান এবং তার শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন। এই আকস্মিক নির্যাতন ও আতঙ্কে শিক্ষার্থীটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
সহপাঠীর ওপর এমন অমানবিক নির্যাতনের খবর ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা বিদ্যালয়ের মূল ফটক অবরুদ্ধ করে ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
দীর্ঘক্ষণ আন্দোলন চলার পর শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা হয়।
আলোচনায় ছাত্রপক্ষের দাবি মেনে একটি সমঝোতায় পৌঁছায় কর্তৃপক্ষ।
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসা ও নতুন পোশাক প্রদান করা হবে।
ওই শিক্ষার্থীর ফরম পূরণসহ পড়াশোনার যাবতীয় খরচ প্রধান শিক্ষক নিজে বহন করবেন।
প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অভিভাবকদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
