রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

ভারতের কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর ১জন সাতক্ষীরার


মোঃ ইদ্রিস আলী
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি, 2 ফলোয়ার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

ভারতের কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর ১জন সাতক্ষীরার

ভারতের পশ্চিম্বঙ্গের কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা-ইন এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর মধ্যে সাতক্ষীরার সন্তান মোঃ আলিমুজ্জামান সাজুও রয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মোঃ ইউনুস আলী সরদারের ছেলে। এছাড়া তিনি সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী একে ট্রাভেলস্‌ এর স্বত্বাধিকারী তাহমিদ শাহেদ চয়নের খালাতো ভাই।

ভারতের গণমাধ্যম পিটিআই এর মাধ্যমে জানা যায়, বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে হোটেলটির চারতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সময় হোটেলের কক্ষে অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, বাইরে থেকে সরাসরি আগুনের শিখা না দেখা গেলেও চারদিক প্রচণ্ড কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল।

হোটেলটির ভেতরে ঢোকা ও বেরোনোর পথ অত্যন্ত সংকীর্ণ হওয়ায় হুড়োহুড়ি ও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে সেখান থেকে অন্তত ৬০ জনকে আশঙ্কাজনক বা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ৯ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ১টি শি-শু রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, মূলত বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়েই তাদের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে মোঃ আলিমুজ্জামান সাজুর মৃত্যুর খবর সাতক্ষীরায় পৌঁছালে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছাঁয়া নেমে আসে। বরেয়া গ্রাম ও পলাশপোল এলাকায় এখন শোকের মাতম চলছে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি জানিয়েছে, হোটেলের কোনো একটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস অফিসের মাত্র এক ভবন পরেই হোটেলটি অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এতে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ভারতের পিটিআই ও এনডিটিভিসহ আরও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, আগুনে প্রাণ হারানো ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন। নিহতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


ভারতের কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর ১জন সাতক্ষীরার

প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ণ

featured Image

ভারতের পশ্চিম্বঙ্গের কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা-ইন এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর মধ্যে সাতক্ষীরার সন্তান মোঃ আলিমুজ্জামান সাজুও রয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মোঃ ইউনুস আলী সরদারের ছেলে। এছাড়া তিনি সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী একে ট্রাভেলস্‌ এর স্বত্বাধিকারী তাহমিদ শাহেদ চয়নের খালাতো ভাই।

ভারতের গণমাধ্যম পিটিআই এর মাধ্যমে জানা যায়, বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে হোটেলটির চারতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সময় হোটেলের কক্ষে অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, বাইরে থেকে সরাসরি আগুনের শিখা না দেখা গেলেও চারদিক প্রচণ্ড কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল।

হোটেলটির ভেতরে ঢোকা ও বেরোনোর পথ অত্যন্ত সংকীর্ণ হওয়ায় হুড়োহুড়ি ও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে সেখান থেকে অন্তত ৬০ জনকে আশঙ্কাজনক বা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ৯ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ১টি শি-শু রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, মূলত বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়েই তাদের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে মোঃ আলিমুজ্জামান সাজুর মৃত্যুর খবর সাতক্ষীরায় পৌঁছালে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছাঁয়া নেমে আসে। বরেয়া গ্রাম ও পলাশপোল এলাকায় এখন শোকের মাতম চলছে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি জানিয়েছে, হোটেলের কোনো একটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস অফিসের মাত্র এক ভবন পরেই হোটেলটি অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এতে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ভারতের পিটিআই ও এনডিটিভিসহ আরও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, আগুনে প্রাণ হারানো ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন। নিহতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ভারতের কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর ১জন সাতক্ষীরার
0:00 / 0:00
1x