চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরের শান্তিপাড়া এলাকা এখন যেন অপরাধীদের অভয়ারণ্য। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ছিনতাই, মাদক বিক্রি ও দেহব্যবসার মতো অসামাজিক কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না প্রশাসন—এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, শান্তিপাড়ায় এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নতুন নয়। প্রতিনিয়ত পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের জানিয়েও কোনো সুফল মেলেনি। উল্টো সাধারণ মানুষের অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে এই অপরাধী চক্রের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মাসোহারা ও অনৈতিক সুবিধার বিনিময়েই বছরের পর বছর নিরব ভূমিকা পালন করছে দায়িত্বপ্রাপ্তরা।
সবচেয়ে চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কথিত 'অভিযান'। এলাকাবাসীর স্পষ্ট অভিযোগ, দপ্তরটির কর্মকর্তারা যখনই এলাকায় অভিযানে নামেন, তার আগেই মূল অভিযুক্তদের কাছে গোপন ফোনকল চলে যায়। স্থান ত্যাগ করা এবং কাছে থাকা মাদকের চালান সরিয়ে ফেলার জন্য আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ায় প্রতিবারই অভিযানের নামে কেবল 'নাটক' মঞ্চস্থ হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
লুটপাট, ছিনতাই ও মাদকের এই অবাধ সাম্রাজ্যে অতিষ্ঠ শান্তিপাড়ার সচেতন নাগরিকরা। একের পর এক অভিযোগ জমা দিয়েও প্রতিকার না পাওয়ায় তাদের মধ্যে এখন চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকার নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার জোর দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা এসব চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরের শান্তিপাড়া এলাকা এখন যেন অপরাধীদের অভয়ারণ্য। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ছিনতাই, মাদক বিক্রি ও দেহব্যবসার মতো অসামাজিক কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না প্রশাসন—এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, শান্তিপাড়ায় এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নতুন নয়। প্রতিনিয়ত পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের জানিয়েও কোনো সুফল মেলেনি। উল্টো সাধারণ মানুষের অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে এই অপরাধী চক্রের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মাসোহারা ও অনৈতিক সুবিধার বিনিময়েই বছরের পর বছর নিরব ভূমিকা পালন করছে দায়িত্বপ্রাপ্তরা।
সবচেয়ে চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কথিত 'অভিযান'। এলাকাবাসীর স্পষ্ট অভিযোগ, দপ্তরটির কর্মকর্তারা যখনই এলাকায় অভিযানে নামেন, তার আগেই মূল অভিযুক্তদের কাছে গোপন ফোনকল চলে যায়। স্থান ত্যাগ করা এবং কাছে থাকা মাদকের চালান সরিয়ে ফেলার জন্য আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ায় প্রতিবারই অভিযানের নামে কেবল 'নাটক' মঞ্চস্থ হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
লুটপাট, ছিনতাই ও মাদকের এই অবাধ সাম্রাজ্যে অতিষ্ঠ শান্তিপাড়ার সচেতন নাগরিকরা। একের পর এক অভিযোগ জমা দিয়েও প্রতিকার না পাওয়ায় তাদের মধ্যে এখন চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকার নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার জোর দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা এসব চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
