পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (রবিবার) রাতে একই এলাকা থেকে ১৭ বস্তা ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। এর পরদিন সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল, বিদেশি মদ, বিয়ার এবং অন্যান্য মাদকসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, সম্প্রতি কুমিল্লা বিজিবি ব্যাটালিয়নে ধ্বংসের জন্য সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ জব্দ মাদকের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতা থাকায় কিছু মাদক বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, এসব মাদক স্থানীয় মাদকসেবী ও অসাধু চক্রের মাধ্যমে কম দামে বিক্রি হচ্ছে ব্যাটালিয়ন-সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায়।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিজিবি বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অল্প সময়ের ব্যবধানে একই এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, মাদকের প্রকৃত উৎস উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের উৎস, সরবরাহ চক্র এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ণ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (রবিবার) রাতে একই এলাকা থেকে ১৭ বস্তা ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। এর পরদিন সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল, বিদেশি মদ, বিয়ার এবং অন্যান্য মাদকসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, সম্প্রতি কুমিল্লা বিজিবি ব্যাটালিয়নে ধ্বংসের জন্য সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ জব্দ মাদকের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতা থাকায় কিছু মাদক বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, এসব মাদক স্থানীয় মাদকসেবী ও অসাধু চক্রের মাধ্যমে কম দামে বিক্রি হচ্ছে ব্যাটালিয়ন-সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায়।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিজিবি বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অল্প সময়ের ব্যবধানে একই এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, মাদকের প্রকৃত উৎস উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের উৎস, সরবরাহ চক্র এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
