রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

সরাইল থানার ওসির নামে মিথ্যা অপপ্রচার


অসীম চন্দ্র দাস
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি , 0 ফলোয়ার
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

সরাইল থানার ওসির নামে মিথ্যা অপপ্রচার
শিশু অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় আসামী হয়ে সরাইল থানার ওসির নামে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১২ বছরের শিশু নুসরাতকে অপহরণের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তথাকথিত এক মোবাইল সাংবাদিকের নামে মামলা হওয়ায় সরাইল থানার ওসি ও এসআই এর নামে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।  এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়া সহ পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরাইল থানা পুলিশের বিরুদ্ধে দুটি অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছে যা সম্পূর্ণ নিন্দনীয়। এর জন্য তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সরাইল থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী।

 তিনি দুটি অনলাইন পোর্টালে লিখেছেন, আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করার ১ মাসপর এক নব দম্পতিকে কোনো মামলা বা অভিযোগের বিষয় না জানিয়ে রাত ৩ টার দিকে থানায় তোলে নিয়ে অপহরণ মামলায় ফাঁসানো হয়। ওসি ও এসআই এর বিরুদ্ধে এ অপপ্রচার করে। 

প্রকৃতপক্ষে আসল ঘটনা হচ্ছে গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের চামমনিপাড়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের মেয়ে ৬ষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান (১২) নিখোঁজ হন। ঐদিনই নুসরাতের মা সরাইল থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন। জিডি নং ১৪৪০, তাং ২৮/০৬/২০২৬। জিডির প্রেক্ষিতে নুসরাতকে খোঁজতে থাকে পুলিশ। পুলিশ ও মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই তারিখে বিজয়নগর থানার পুলিশের সহযোগিতায় সরাইল থানার এসআই মোঃ শামীমের নেতৃত্বে বিজয়নগরের রসুলপুর এলাকার হীরা আহমেদ জাকিরের বাড়ি থেকে তার ভাই শ্রাবণ মিয়া সহ নুসরাতকে উদ্ধার করে সরাইল থানায় আনা হয়। নুসরাতকে থানা হেফাজতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ৬ মাস আগে থেকে শ্রাবণ মিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক হওয়ার পর থেকে তাকে প্রায়ই পালিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখাত। এরই ধারাবাহিকতায় নুসরাত শ্রাবণের কথামত প্রলোভিত হইয়া গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে উক্ত ১২ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীকে কোর্টে বিয়ে করার নাটক সাজিয়ে বহুবার ধর্ষণ করে। একথা জানার পর ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নুসরাতের মা লিজা বেগম বাদী হয়ে শ্রাবণ মিয়া ও হিরা আহমেদ জাকিরকে আসামি করে সরাইল থানায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন। হিরা আহমেদ জাকির তথাকথিত সাংবাদিক। 

সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করায় জনমনে উক্ত কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনজুর কাদের ভূইয়া বলেন, সরাইল থানার সাধারণ ডায়েরী (জিডি)র ভিত্তিতেই নুসরাত ও শ্রাবণ মিয়াকে থানায় আনা হয়েছে। তার মা লিজা আক্তার মামলা করেছেন।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


সরাইল থানার ওসির নামে মিথ্যা অপপ্রচার

প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ণ

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১২ বছরের শিশু নুসরাতকে অপহরণের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তথাকথিত এক মোবাইল সাংবাদিকের নামে মামলা হওয়ায় সরাইল থানার ওসি ও এসআই এর নামে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।  এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়া সহ পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরাইল থানা পুলিশের বিরুদ্ধে দুটি অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছে যা সম্পূর্ণ নিন্দনীয়। এর জন্য তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সরাইল থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী।

 তিনি দুটি অনলাইন পোর্টালে লিখেছেন, আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করার ১ মাসপর এক নব দম্পতিকে কোনো মামলা বা অভিযোগের বিষয় না জানিয়ে রাত ৩ টার দিকে থানায় তোলে নিয়ে অপহরণ মামলায় ফাঁসানো হয়। ওসি ও এসআই এর বিরুদ্ধে এ অপপ্রচার করে। 

প্রকৃতপক্ষে আসল ঘটনা হচ্ছে গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের চামমনিপাড়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের মেয়ে ৬ষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান (১২) নিখোঁজ হন। ঐদিনই নুসরাতের মা সরাইল থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন। জিডি নং ১৪৪০, তাং ২৮/০৬/২০২৬। জিডির প্রেক্ষিতে নুসরাতকে খোঁজতে থাকে পুলিশ। পুলিশ ও মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই তারিখে বিজয়নগর থানার পুলিশের সহযোগিতায় সরাইল থানার এসআই মোঃ শামীমের নেতৃত্বে বিজয়নগরের রসুলপুর এলাকার হীরা আহমেদ জাকিরের বাড়ি থেকে তার ভাই শ্রাবণ মিয়া সহ নুসরাতকে উদ্ধার করে সরাইল থানায় আনা হয়। নুসরাতকে থানা হেফাজতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ৬ মাস আগে থেকে শ্রাবণ মিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক হওয়ার পর থেকে তাকে প্রায়ই পালিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখাত। এরই ধারাবাহিকতায় নুসরাত শ্রাবণের কথামত প্রলোভিত হইয়া গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে উক্ত ১২ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীকে কোর্টে বিয়ে করার নাটক সাজিয়ে বহুবার ধর্ষণ করে। একথা জানার পর ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নুসরাতের মা লিজা বেগম বাদী হয়ে শ্রাবণ মিয়া ও হিরা আহমেদ জাকিরকে আসামি করে সরাইল থানায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন। হিরা আহমেদ জাকির তথাকথিত সাংবাদিক। 

সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করায় জনমনে উক্ত কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনজুর কাদের ভূইয়া বলেন, সরাইল থানার সাধারণ ডায়েরী (জিডি)র ভিত্তিতেই নুসরাত ও শ্রাবণ মিয়াকে থানায় আনা হয়েছে। তার মা লিজা আক্তার মামলা করেছেন।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সরাইল থানার ওসির নামে মিথ্যা অপপ্রচার
0:00 / 0:00
1x