ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার, পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে খুলনার দাকোপে ‘মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্প’ বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় (১৩ অক্টোবর) দাকোপ উপজেলা কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের হলরুমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খানের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। এতে সভাপতিত্ব করেন দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বোরহান উদ্দিন মিঠু।
পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল উদ্যোগ
মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের আওতায় ভূমির ব্যবহার ও শ্রেণিভিত্তিক তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে জমির ধরন ও ব্যবহার সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে কৃষিজমি সংরক্ষণ, ভূমির যথাযথ ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা সহায়ক হতে পারে।
দাকোপের মতো উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমির সঠিক ব্যবহার ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রকল্পের গুরুত্ব রয়েছে। তবে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন, তথ্যের নির্ভুলতা এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর প্রয়োগের ওপর এর সুফল অনেকাংশে নির্ভর করবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ণ
ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার, পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে খুলনার দাকোপে ‘মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্প’ বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় (১৩ অক্টোবর) দাকোপ উপজেলা কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের হলরুমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খানের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। এতে সভাপতিত্ব করেন দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বোরহান উদ্দিন মিঠু।
পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল উদ্যোগ
মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের আওতায় ভূমির ব্যবহার ও শ্রেণিভিত্তিক তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে জমির ধরন ও ব্যবহার সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে কৃষিজমি সংরক্ষণ, ভূমির যথাযথ ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা সহায়ক হতে পারে।
দাকোপের মতো উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমির সঠিক ব্যবহার ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রকল্পের গুরুত্ব রয়েছে। তবে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন, তথ্যের নির্ভুলতা এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর প্রয়োগের ওপর এর সুফল অনেকাংশে নির্ভর করবে।
