গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান খুলনার রূপসা উপজেলার ইলাইপুর গ্রামের আব্দুর রউফ শেখের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা হাটহাজারী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট রাতে ফখরুল ইসলাম রূপসা থানাধীন মেসার্স রূপসা ব্রিকস নামের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অফিসে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে রূপসা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের ধারাবাহিকতায় আব্দুর রহমানকে মামলার অন্যতম আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর আব্দুর রহমানকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে এসআরবি ফোর্সের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান খুলনার রূপসা উপজেলার ইলাইপুর গ্রামের আব্দুর রউফ শেখের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা হাটহাজারী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট রাতে ফখরুল ইসলাম রূপসা থানাধীন মেসার্স রূপসা ব্রিকস নামের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অফিসে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে রূপসা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের ধারাবাহিকতায় আব্দুর রহমানকে মামলার অন্যতম আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর আব্দুর রহমানকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে এসআরবি ফোর্সের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
