রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া টিপসই নিলেন বিয়ের কাবিননামায়


নূর মুহাম্মদ আজাদী
স্টাফ রিপোর্টার , 10 ফলোয়ার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া টিপসই নিলেন বিয়ের কাবিননামায়

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের পাটুলী গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবার টিপসই নেওয়ার পর তার নামে বিয়ের কাবিননামা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আছিয়া বেগম (৪৩) অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় জামায়াতের সহযোগী সদস্য আবদুস ছাত্তার ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও পরে একটি কাগজে টিপসই নেন। কয়েক দিন পর তিনি জানতে পারেন, ওই টিপসই ব্যবহার করে তার নামে বিয়ের কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুস ছাত্তার দাবি করেছেন, তিনি ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে আছিয়ার কোনো টিপসই নেননি। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দেড় মাস আগে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আছিয়ার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি নেন আবদুস ছাত্তার। পরে তাকে আবার ডেকে একটি কাগজে টিপসই নেওয়া হয়। আছিয়া স্বাক্ষর করতে না পারায় টিপসই দেন।

আছিয়া বেগম বলেন, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে টিপসই নেওয়া হয়। পরে জানতে পারি, ওই টিপসই দিয়ে আমার নামে কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে। আমি কোনো বিয়েতে যাইনি, বিয়েতে সম্মতিও দিইনি। এমনকি কাজির সঙ্গেও আমার দেখা হয়নি

তিনি জানান, প্রায় ১৩ বছর আগে তার স্বামী আবু কালাম মারা যান। এরপর দুই ছেলেকে বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে তার নাতি-নাতনিও রয়েছে। স্বামীর মৃত্যুর পর মানুষের জমিতে দিনমজুরের কাজ করে সন্তানদের বড় করেছেন। সন্তানদের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রস্তাব পেলেও তিনি বিয়ে করেননি বলে জানান।

ঘটনার পর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, আছিয়ার সঙ্গে আবদুল কুদ্দুছের বিয়ে হয়েছে। তার সামনে একটি কাবিননামা ও এফিডেভিটও উপস্থাপন করা হয়।

 কাবিননামায় বর হিসেবে আবদুল কুদ্দুছের নাম এবং দেনমোহর ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। সাক্ষী হিসেবে আবদুল মান্নান ও সাইফুল ইসলামের নাম রয়েছে।

তবে সাক্ষী সাইফুল ইসলাম বলেন, তিনি কোনো কাবিনের সাক্ষী হননি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন তিনি।

কাবিননামায় বিয়ে সম্পন্নকারী হিসেবে পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজি গোলাম মোস্তফার নাম রয়েছে। তবে তিনি বিয়েটি সম্পন্ন করার কথা অস্বীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুঠোফোনে কাজি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমি এই বিয়ে সম্পন্ন করিনি। যে কাগজটি ছড়িয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ জাল।’ তার নাম ব্যবহার করে এর আগেও ২০২০ সালে একটি জাল কাগজ তৈরি হয়েছিল এবং সে ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন বলেও জানান তিনি। এবারও বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

এদিকে, আছিয়াকে বিয়ে করেছেন বলে যার নাম কাবিননামায় রয়েছে, সেই আবদুল কুদ্দুছকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন জানান, বিয়ের বিষয়ে তার স্বামী তাকে আগে কিছু জানাননি। তবে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর কুদ্দুছ দাবি করেছেন, তিনি কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আছিয়ার সঙ্গে কুদ্দুছের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। আছিয়ার ছেলের বিয়ের সময় কুদ্দুছকে উকিল শ্বশুর করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে কুদ্দুছের পক্ষ থেকে আছিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন বলে স্থানীয়রা জানান।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ চলছে। পল্লী চিকিৎসক মোহাম্মদ রুস্তম আলীর নেতৃত্বে গত সোমবার ও বুধবার পাটুলী গ্রামে সালিশ বসে। তবে সেখানে অভিযুক্ত আবদুস ছাত্তার ও আবদুল কুদ্দুছ কেউ উপস্থিত ছিলেন না। শুক্রবার পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে।

সালিশের নেতৃত্ব দেওয়া রুস্তম আলী বলেন, ‘আছিয়ার কাছে কাবিনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টিপসই নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কাবিননামায় থাকা সাক্ষীরাও সালিশে বলেছেন, তারা বিয়ের বিষয়ে কিছুই জানেন না। বিষয়টি আমরা যাচাই করছি। সালিশে সমাধান না হলে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুস ছাত্তার বলেন, ‘আমি ওই মহিলার কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে কোনো টিপসই নিইনি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।’

আবদুস ছাত্তার পাটুলী বাজারের কসমেটিকস ব্যবসায়ী। তিনি নিজেকে জামায়াতের সহযোগী সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুটিজানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলেও জানান।

উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ফজলুল হক (শামীম) বলেন, ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। আবদুস ছাত্তার জামায়াতের নিয়মিত পদধারী কোনো নেতা নন। নির্বাচনের সময় তিনি একটি কেন্দ্র কমিটির সহযোগী সদস্য ছিলেন।’ তিনি জানান, বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার পক্ষে তারা।

ফুলবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান বলেন, বিভিন্নজনের কাছ থেকে তারা ঘটনাটি শুনেছেন। তবে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ডের বিষয় ব্যবহার করে কেউ প্রতারণা করে থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ২.৩/৫ (৪ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া টিপসই নিলেন বিয়ের কাবিননামায়

প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ণ

featured Image

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের পাটুলী গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবার টিপসই নেওয়ার পর তার নামে বিয়ের কাবিননামা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আছিয়া বেগম (৪৩) অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় জামায়াতের সহযোগী সদস্য আবদুস ছাত্তার ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও পরে একটি কাগজে টিপসই নেন। কয়েক দিন পর তিনি জানতে পারেন, ওই টিপসই ব্যবহার করে তার নামে বিয়ের কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুস ছাত্তার দাবি করেছেন, তিনি ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে আছিয়ার কোনো টিপসই নেননি। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দেড় মাস আগে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আছিয়ার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি নেন আবদুস ছাত্তার। পরে তাকে আবার ডেকে একটি কাগজে টিপসই নেওয়া হয়। আছিয়া স্বাক্ষর করতে না পারায় টিপসই দেন।

আছিয়া বেগম বলেন, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে টিপসই নেওয়া হয়। পরে জানতে পারি, ওই টিপসই দিয়ে আমার নামে কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে। আমি কোনো বিয়েতে যাইনি, বিয়েতে সম্মতিও দিইনি। এমনকি কাজির সঙ্গেও আমার দেখা হয়নি

তিনি জানান, প্রায় ১৩ বছর আগে তার স্বামী আবু কালাম মারা যান। এরপর দুই ছেলেকে বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে তার নাতি-নাতনিও রয়েছে। স্বামীর মৃত্যুর পর মানুষের জমিতে দিনমজুরের কাজ করে সন্তানদের বড় করেছেন। সন্তানদের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রস্তাব পেলেও তিনি বিয়ে করেননি বলে জানান।

ঘটনার পর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, আছিয়ার সঙ্গে আবদুল কুদ্দুছের বিয়ে হয়েছে। তার সামনে একটি কাবিননামা ও এফিডেভিটও উপস্থাপন করা হয়।

 কাবিননামায় বর হিসেবে আবদুল কুদ্দুছের নাম এবং দেনমোহর ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। সাক্ষী হিসেবে আবদুল মান্নান ও সাইফুল ইসলামের নাম রয়েছে।

তবে সাক্ষী সাইফুল ইসলাম বলেন, তিনি কোনো কাবিনের সাক্ষী হননি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন তিনি।

কাবিননামায় বিয়ে সম্পন্নকারী হিসেবে পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজি গোলাম মোস্তফার নাম রয়েছে। তবে তিনি বিয়েটি সম্পন্ন করার কথা অস্বীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুঠোফোনে কাজি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমি এই বিয়ে সম্পন্ন করিনি। যে কাগজটি ছড়িয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ জাল।’ তার নাম ব্যবহার করে এর আগেও ২০২০ সালে একটি জাল কাগজ তৈরি হয়েছিল এবং সে ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন বলেও জানান তিনি। এবারও বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

এদিকে, আছিয়াকে বিয়ে করেছেন বলে যার নাম কাবিননামায় রয়েছে, সেই আবদুল কুদ্দুছকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন জানান, বিয়ের বিষয়ে তার স্বামী তাকে আগে কিছু জানাননি। তবে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর কুদ্দুছ দাবি করেছেন, তিনি কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আছিয়ার সঙ্গে কুদ্দুছের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। আছিয়ার ছেলের বিয়ের সময় কুদ্দুছকে উকিল শ্বশুর করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে কুদ্দুছের পক্ষ থেকে আছিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন বলে স্থানীয়রা জানান।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ চলছে। পল্লী চিকিৎসক মোহাম্মদ রুস্তম আলীর নেতৃত্বে গত সোমবার ও বুধবার পাটুলী গ্রামে সালিশ বসে। তবে সেখানে অভিযুক্ত আবদুস ছাত্তার ও আবদুল কুদ্দুছ কেউ উপস্থিত ছিলেন না। শুক্রবার পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে।

সালিশের নেতৃত্ব দেওয়া রুস্তম আলী বলেন, ‘আছিয়ার কাছে কাবিনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টিপসই নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কাবিননামায় থাকা সাক্ষীরাও সালিশে বলেছেন, তারা বিয়ের বিষয়ে কিছুই জানেন না। বিষয়টি আমরা যাচাই করছি। সালিশে সমাধান না হলে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুস ছাত্তার বলেন, ‘আমি ওই মহিলার কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে কোনো টিপসই নিইনি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।’

আবদুস ছাত্তার পাটুলী বাজারের কসমেটিকস ব্যবসায়ী। তিনি নিজেকে জামায়াতের সহযোগী সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুটিজানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলেও জানান।

উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ফজলুল হক (শামীম) বলেন, ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। আবদুস ছাত্তার জামায়াতের নিয়মিত পদধারী কোনো নেতা নন। নির্বাচনের সময় তিনি একটি কেন্দ্র কমিটির সহযোগী সদস্য ছিলেন।’ তিনি জানান, বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার পক্ষে তারা।

ফুলবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান বলেন, বিভিন্নজনের কাছ থেকে তারা ঘটনাটি শুনেছেন। তবে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ডের বিষয় ব্যবহার করে কেউ প্রতারণা করে থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া টিপসই নিলেন বিয়ের কাবিননামায়
0:00 / 0:00
1x