মাদারীপুরের শিবচরের ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়নে আ.লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের চার নেতা দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকা প্রায় ৩০ জন নেতাকর্মী ও সমর্থকও দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়নের ফজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ সময় দলটির সঙ্গে ভবিষ্যতে আর কোনো সম্পর্ক না রাখার কথাও জানান তারা।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন- ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগের সহসভাপতি মো. মোস্তফা মাহমুদ, অর্থবিষয়ক সম্পাদক মো. আক্তার হোসেন সরদার, ৫ নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি মো. করিম হাওলাদার এবং একই ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সরদার।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অভিযোগ করে বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে আ.লীগের জন্য কাজ করলেও বর্তমানে দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা বিদেশে অবস্থান করছেন এবং মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা চরম অবহেলার শিকার হচ্ছেন। বিপদে-আপদেও দল থেকে তাদের কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয় না।
লিখিত বক্তব্যে পদত্যাগকারীরা বলেন, আমরা সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় আ.লীগের সব কার্যক্রম এবং দলীয় পদ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছি। আজ থেকে আ.লীগের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরের শিবচরের ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়নে আ.লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের চার নেতা দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকা প্রায় ৩০ জন নেতাকর্মী ও সমর্থকও দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়নের ফজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ সময় দলটির সঙ্গে ভবিষ্যতে আর কোনো সম্পর্ক না রাখার কথাও জানান তারা।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন- ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগের সহসভাপতি মো. মোস্তফা মাহমুদ, অর্থবিষয়ক সম্পাদক মো. আক্তার হোসেন সরদার, ৫ নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি মো. করিম হাওলাদার এবং একই ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সরদার।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অভিযোগ করে বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে আ.লীগের জন্য কাজ করলেও বর্তমানে দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা বিদেশে অবস্থান করছেন এবং মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা চরম অবহেলার শিকার হচ্ছেন। বিপদে-আপদেও দল থেকে তাদের কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয় না।
লিখিত বক্তব্যে পদত্যাগকারীরা বলেন, আমরা সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় আ.লীগের সব কার্যক্রম এবং দলীয় পদ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছি। আজ থেকে আ.লীগের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই।
