ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার প্রধান সড়কের দুই পাশ দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাটের কারণে যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে লায়ন্স সুপার মার্কেট এবং ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনে ও তার রাস্তার ঠিক অপর পাশের উভয় দিকে ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়ক দখল করে বসেছে অসংখ্য অবৈধ দোকান। প্রতিদিনের এ যানজটে যেমন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকেরা, তেমনই সড়ক দখল নিয়ে দোকানদারদের মধ্যকার কাদা ছোড়াছুড়ি ও ঝগড়াঝাটি এলাকার পরিবেশকে প্রতিনিয়ত উত্তপ্ত করে তুলছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিন সকালের দিকে রাস্তা ফাঁকা থাকলেও বিকেল তিনটা বাজার পর থেকেই কদমতলী এলাকার মূল সড়কের ওপর তরকারি, ফলমূল ও হকারদের পশরা সাজিয়ে বসতে শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। লায়ন্স সুপার মার্কেট এবং ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর দুই পাশেই হকারদের দখলের কারণে পথচারীদের হাঁটার মতো জায়গা অবশিষ্ট থাকে না। স্থান দখল করা নিয়ে বিকেল ৩টার পর থেকেই দোকানদারদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে শুরু করে হাতাহাতি ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। এর ফলে ব্যস্ততম এ সময়ে স্বাভাবিক গাড়ি চলাচল থমকে গিয়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজটের। এম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার যানবাহনগুলোকেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিকেল বেলা রাস্তা দখল মুক্ত রাখতে প্রশাসন মাঝে মাঝেই উচ্ছেদ অভিযান চালায়, তবে অভিযান শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি আবার আগের রূপ নেয়। কদমতলীর রাস্তাঘাট চলাচলের উপযোগী রাখতে এবং এর স্থায়ী সমাধানের জন্য বিকেলে নিয়মিত তদারকি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার করা ও হকারদের নির্দিষ্ট স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
গড় রেটিং: ৫/৫ (১ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ণ
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার প্রধান সড়কের দুই পাশ দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাটের কারণে যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে লায়ন্স সুপার মার্কেট এবং ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনে ও তার রাস্তার ঠিক অপর পাশের উভয় দিকে ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়ক দখল করে বসেছে অসংখ্য অবৈধ দোকান। প্রতিদিনের এ যানজটে যেমন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকেরা, তেমনই সড়ক দখল নিয়ে দোকানদারদের মধ্যকার কাদা ছোড়াছুড়ি ও ঝগড়াঝাটি এলাকার পরিবেশকে প্রতিনিয়ত উত্তপ্ত করে তুলছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিন সকালের দিকে রাস্তা ফাঁকা থাকলেও বিকেল তিনটা বাজার পর থেকেই কদমতলী এলাকার মূল সড়কের ওপর তরকারি, ফলমূল ও হকারদের পশরা সাজিয়ে বসতে শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। লায়ন্স সুপার মার্কেট এবং ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর দুই পাশেই হকারদের দখলের কারণে পথচারীদের হাঁটার মতো জায়গা অবশিষ্ট থাকে না। স্থান দখল করা নিয়ে বিকেল ৩টার পর থেকেই দোকানদারদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে শুরু করে হাতাহাতি ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। এর ফলে ব্যস্ততম এ সময়ে স্বাভাবিক গাড়ি চলাচল থমকে গিয়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজটের। এম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার যানবাহনগুলোকেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিকেল বেলা রাস্তা দখল মুক্ত রাখতে প্রশাসন মাঝে মাঝেই উচ্ছেদ অভিযান চালায়, তবে অভিযান শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি আবার আগের রূপ নেয়। কদমতলীর রাস্তাঘাট চলাচলের উপযোগী রাখতে এবং এর স্থায়ী সমাধানের জন্য বিকেলে নিয়মিত তদারকি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার করা ও হকারদের নির্দিষ্ট স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
