রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ


আনিসুর রহমান মিঠু
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার , 1 ফলোয়ার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ
মির্জা ফয়সল আমীন

সামাজিক মাধ্যমে মনগড়া পোস্ট, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটাদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। বিএনপির মহাসচিব ও সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনে এমন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। এমনকি কথিত জনমত জরিপও।

গত কয়েক দিন ধরে ফেসবুকে আলোচনায় এসেছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় মেয়ে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. শামারুহ মির্জা (সামা) ও তাঁর ছোট ভাই, জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমিনের নাম। দুজনের মধ্যে কে আগামীতে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা।

তাহলে কি সত্যিই তাঁদের দুজনের মধ্যে কাউকে প্রার্থী করার প্রস্তুতি চলছে? পরিবারে কি এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? নাকি পুরো বিষয়টিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুঞ্জন? এসব প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন মির্জা ফয়সল আমিন। তাঁর বক্তব্যে খুলেছে গুঞ্জনের জট।

তবে এ ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জনকে এখনই প্রার্থিতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়েছেন মির্জা ফয়সল আমিন। তাঁর দাবি আসনটি এখনো শূন্যই হয়নি। ফলে প্রার্থী বাছাই নিয়ে আলোচনা করার সময়ও আসেনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব আলোচনা নিয়ে জেলার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন।

তিনি বলেন, একই পরিবারের দুজন প্রার্থী আসলে আমরা কেউই এখনো প্রার্থী নই। প্রার্থিতা নির্বাচন করার বিষয়টি এখনো আসেনি। এই আসন এখনো শূন্য হয়নি। এখনো বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি আছেন। দল তাঁকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। (২০ আগস্ট) নির্বাচন হবে। নির্বাচনের পর তিনি শপথ নেবেন, গেজেট হবে। এরপর সংসদীয় আসনটি শূন্য হবে। আসনটি শূন্য হওয়ার পরই প্রার্থীতার বিষয়টি সামনে আসবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ও ড. শামারুহ মির্জার নাম আলোচনায় আসার বিষয়ে ফয়সল আমিন বলেন, মির্জা ফখরুল আলমগীর সাহেবের বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ (সামা) অত্যন্ত স্বনামধন্য একজন বিজ্ঞানী। তিনি দেশে থাকেন না, বিদেশে থাকেন। তাঁর বাবার নির্বাচনের সময় তিনি দেশে এসেছিলেন, মানুষের সঙ্গে মিশেছেন এবং বাবার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। ফলে মানুষ তাঁকে প্রার্থী হিসেবে চাইতেই পারে। আমি সরাসরি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সে হিসেবে মানুষ আমাকেও চাইতে পারে। মানুষের এই চাওয়াটাই মূল বিষয়। তবে বিষয়টিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে, আসলে তা সেভাবে নয়। এ নিয়ে আমাদের পরিবারের মধ্যে কোনো আলোচনা হয় নি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের পরিবারের মধ্যে এটা নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। এটা নিয়ে আমরা কেউ বিচলিতও নই। তবে একটা সমস্যা হচ্ছে, সাধারণ ভোটাররা বিব্রত হচ্ছে। কেন এভাবে আলোচনা বা জনমত জরিপ করা হচ্ছে। এসব গুঞ্জনে কান না দেয়াই ভাল।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কে বিএনপির প্রার্থী হবেন, সেই সিদ্ধান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা বা জনমত জরিপে হবে না বলেও মন্তব্য করেন জেলা বিএনপির এই নেতা।

তিনি বলেন, তাদের বিভ্রান্ত করে কোনো লাভ নেই। আমাদের দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের নীতিনির্ধারকরাই সিদ্ধান্ত নেবেন, শূন্য আসনে কে নির্বাচন করবেন। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন যেভাবে কাকে চান, কে আসবেন, জনমত জরিপ এসব করা ঠিক হচ্ছে না। আমাদের পরিবার থেকে এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। যেহেতু ভাইদের মধ্যে আমি রাজনীতিতে আছি, বড় ভাইও রাজনীতিতে ছিলেন, আমিও রাজনীতিতে আছি স্বাভাবিকভাবেই আমার প্রসঙ্গ আসে।

ড. শামারুহ মির্জা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামা রাজনীতি করেন না। তিনি একজন প্রবাসী বিজ্ঞানী। তবে প্রয়োজন হলে তিনি অবশ্যই আসবেন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন আমার ভাই (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর)। এই বিষয়গুলো নিয়ে এই মুহূর্তে আলোচনা করা মনে হয় ঠিক হবে না। নিয়মিত সামার সাথে ওভার ফোন কথা হয় সামাজিক মাধ্যমের কথা নিয়ে আলোচনাও হয়। সে বলে চাচা ভোট দুজনের ছবি খুব ভাসছে যোগাযোগমাধ্যমে যা অযথা। 

তবে এসব বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী জানান, যেহেতু দল সিদ্ধান্ত নিয়ে মনোনয়ন কাকে দিবে। তবে এখানে পরিস্কার মির্জা ফখরুল স্যারের মেয়ে সামা আসছে না এ নির্বাচনে। কারণ অনেক জটিলতা আছে এই মুহুর্তে। তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। জেলা বিএনপির ভাল পদে নেই সামা। হয়তো তার রাজনীতিতে আসতে আরো সময় লাগবে।  

এছাড়া স্যারের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল জেলা বিএনপির সভাপতি পরিক্ষিত রাজনীতিবিদ। দল ভালভাবে চিনেন তাকে। যত কথাই হোক আসন শুন্য হলে শেষ পর্যন্ত মির্জা ফয়সল ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এমপি প্রার্থী। আশা করা হচ্ছে দল তাকেই মনোনীত করবেন। আর জয়ও নিশ্চিন্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ

featured Image

সামাজিক মাধ্যমে মনগড়া পোস্ট, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটাদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। বিএনপির মহাসচিব ও সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনে এমন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। এমনকি কথিত জনমত জরিপও।

গত কয়েক দিন ধরে ফেসবুকে আলোচনায় এসেছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় মেয়ে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. শামারুহ মির্জা (সামা) ও তাঁর ছোট ভাই, জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমিনের নাম। দুজনের মধ্যে কে আগামীতে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা।

তাহলে কি সত্যিই তাঁদের দুজনের মধ্যে কাউকে প্রার্থী করার প্রস্তুতি চলছে? পরিবারে কি এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? নাকি পুরো বিষয়টিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুঞ্জন? এসব প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন মির্জা ফয়সল আমিন। তাঁর বক্তব্যে খুলেছে গুঞ্জনের জট।

তবে এ ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জনকে এখনই প্রার্থিতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়েছেন মির্জা ফয়সল আমিন। তাঁর দাবি আসনটি এখনো শূন্যই হয়নি। ফলে প্রার্থী বাছাই নিয়ে আলোচনা করার সময়ও আসেনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব আলোচনা নিয়ে জেলার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন।

তিনি বলেন, একই পরিবারের দুজন প্রার্থী আসলে আমরা কেউই এখনো প্রার্থী নই। প্রার্থিতা নির্বাচন করার বিষয়টি এখনো আসেনি। এই আসন এখনো শূন্য হয়নি। এখনো বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি আছেন। দল তাঁকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। (২০ আগস্ট) নির্বাচন হবে। নির্বাচনের পর তিনি শপথ নেবেন, গেজেট হবে। এরপর সংসদীয় আসনটি শূন্য হবে। আসনটি শূন্য হওয়ার পরই প্রার্থীতার বিষয়টি সামনে আসবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ও ড. শামারুহ মির্জার নাম আলোচনায় আসার বিষয়ে ফয়সল আমিন বলেন, মির্জা ফখরুল আলমগীর সাহেবের বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ (সামা) অত্যন্ত স্বনামধন্য একজন বিজ্ঞানী। তিনি দেশে থাকেন না, বিদেশে থাকেন। তাঁর বাবার নির্বাচনের সময় তিনি দেশে এসেছিলেন, মানুষের সঙ্গে মিশেছেন এবং বাবার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। ফলে মানুষ তাঁকে প্রার্থী হিসেবে চাইতেই পারে। আমি সরাসরি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সে হিসেবে মানুষ আমাকেও চাইতে পারে। মানুষের এই চাওয়াটাই মূল বিষয়। তবে বিষয়টিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে, আসলে তা সেভাবে নয়। এ নিয়ে আমাদের পরিবারের মধ্যে কোনো আলোচনা হয় নি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের পরিবারের মধ্যে এটা নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। এটা নিয়ে আমরা কেউ বিচলিতও নই। তবে একটা সমস্যা হচ্ছে, সাধারণ ভোটাররা বিব্রত হচ্ছে। কেন এভাবে আলোচনা বা জনমত জরিপ করা হচ্ছে। এসব গুঞ্জনে কান না দেয়াই ভাল।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কে বিএনপির প্রার্থী হবেন, সেই সিদ্ধান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা বা জনমত জরিপে হবে না বলেও মন্তব্য করেন জেলা বিএনপির এই নেতা।

তিনি বলেন, তাদের বিভ্রান্ত করে কোনো লাভ নেই। আমাদের দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের নীতিনির্ধারকরাই সিদ্ধান্ত নেবেন, শূন্য আসনে কে নির্বাচন করবেন। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন যেভাবে কাকে চান, কে আসবেন, জনমত জরিপ এসব করা ঠিক হচ্ছে না। আমাদের পরিবার থেকে এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। যেহেতু ভাইদের মধ্যে আমি রাজনীতিতে আছি, বড় ভাইও রাজনীতিতে ছিলেন, আমিও রাজনীতিতে আছি স্বাভাবিকভাবেই আমার প্রসঙ্গ আসে।

ড. শামারুহ মির্জা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামা রাজনীতি করেন না। তিনি একজন প্রবাসী বিজ্ঞানী। তবে প্রয়োজন হলে তিনি অবশ্যই আসবেন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন আমার ভাই (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর)। এই বিষয়গুলো নিয়ে এই মুহূর্তে আলোচনা করা মনে হয় ঠিক হবে না। নিয়মিত সামার সাথে ওভার ফোন কথা হয় সামাজিক মাধ্যমের কথা নিয়ে আলোচনাও হয়। সে বলে চাচা ভোট দুজনের ছবি খুব ভাসছে যোগাযোগমাধ্যমে যা অযথা। 

তবে এসব বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী জানান, যেহেতু দল সিদ্ধান্ত নিয়ে মনোনয়ন কাকে দিবে। তবে এখানে পরিস্কার মির্জা ফখরুল স্যারের মেয়ে সামা আসছে না এ নির্বাচনে। কারণ অনেক জটিলতা আছে এই মুহুর্তে। তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। জেলা বিএনপির ভাল পদে নেই সামা। হয়তো তার রাজনীতিতে আসতে আরো সময় লাগবে।  

এছাড়া স্যারের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল জেলা বিএনপির সভাপতি পরিক্ষিত রাজনীতিবিদ। দল ভালভাবে চিনেন তাকে। যত কথাই হোক আসন শুন্য হলে শেষ পর্যন্ত মির্জা ফয়সল ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এমপি প্রার্থী। আশা করা হচ্ছে দল তাকেই মনোনীত করবেন। আর জয়ও নিশ্চিন্ত হবে ইনশাআল্লাহ।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ
0:00 / 0:00
1x