রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

ভাতের থালায় নীরব ঘাতক


তৌহিদ হাসান
জামালপুর জেলা প্রতিনিধি , 2 ফলোয়ার
প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

ভাতের থালায় নীরব ঘাতক

ভোর হওয়ার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত একজন সুস্থ মানুষের বেঁচে থাকার মূল শক্তি খাবার। অথচ বর্তমানে এই খাবারই যেন রূপ নিয়েছে ধীরগতির বিষে। সকালের এক কাপ চা থেকে শুরু করে রাতের ভাতের থালা—প্রতিটি ধাপে লুকিয়ে রয়েছে ক্ষতিকর রাসায়নিক, কার্বাইড, টেক্সটাইল ডাই ও বিষাক্ত কীটনাশকের উপস্থিতি। খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিকের এই ছদ্মবেশী উপস্থিতি কেবল আইন শৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি এখন দেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য এক মারাত্মক জাতীয় বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে।

​ভেজালের আধুনিক রূপ: ঐতিহ্যবাহী প্রতারণা থেকে বায়ো-কেমিক্যাল বিষক্রিয়া

​একসময় খাদ্যে ভেজালের ধরণ ছিল বেশ সরল—দুধে পানি মেশানো, মরিচের গুঁড়ায় ইটের গুঁড়া কিংবা চা-পাতায় গাছের গুঁড়ো মেশানো। কিন্তু বর্তমানে ভেজালের রূপ বদলে হয়েছে চরমমাত্রায় প্রযুক্তিগত ও প্রাণঘাতী।

​শিল্প কারখানার রং ও রাসায়নিক: মিষ্টান্ন, জিলিপি, এমনকি মৌসুমি ফলে ব্যবহৃত হচ্ছে কাপড়ে রঙ করার টেক্সটাইল ডাই ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যাল।

​কৃত্রিম স্থায়িত্ব বৃদ্ধি (প্রিজারভেটিভস): মাছ, মাংস ও দুধে দ্রুত পচন রোখার নামে ক্ষতিকর ফরমালিন ও বিষাক্ত রাসায়নিক সল্যুশনের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি।

​ফল পাকানো ও উজ্জ্বলতার খেল: অপরিপক্ক ফল দ্রুত পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ও ইথিপ্রোফেন জাতীয় রাসায়নিকের অবাধ ব্যবহার চলছে, যা মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক গঠন বিকৃত করে দিতে সক্ষম।

​

​মাঠ পর্যায়ে শস্য উৎপাদনে বিষ প্রয়োগের যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, তা সবচেয়ে চিন্তার বিষয়। সবজি ও ফলমূল চাষে অতিরিক্ত কীটনাশক ছেটানো হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট 'উইথড্রয়াল পিরিয়ড' (কীটনাশক ছেটানোর পর থেকে ফসল তোলার মধ্যবর্তী নিরাপদ সময়) মানা হচ্ছে না। ফলে সরাসরি বিষাক্ত উপাদান থেকেই যাচ্ছে সবজির গায়ে।

​অন্যদিকে, পোলট্রি ও মাছ চাষে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক ও ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য থেকে তৈরি ফিড। এর ফলে মানবদেহে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR)—যা এমন এক অবস্থা তৈরি করছে যেখানে সাধারণ অসুখেও উচ্চক্ষমতার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ আর কোনো কাজ করছে না।

​জনস্বাস্থ্যে ধস: রুগ্ণ প্রজন্মের নীরব প্রস্তুতি

​স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে অসংক্রামক ব্যাধি (Non-Communicable Diseases) বৃদ্ধির প্রধানতম নিয়ামক এই বিষাক্ত খাবার। লিভার ও কিডনি বিকল হওয়া, পাকস্থলীর ক্যান্সার এবং অকাল হৃদরোগের মতো মারাত্মক ব্যাধি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ার পেছনে খাদ্যের এই রাসায়নিক বিষক্রিয়াই দায়ী।

​শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে এটি জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু জন্মের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়িয়ে দিচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে ক্যান্সার ও কিডনি রোগীর ধারণক্ষমতা পেরিয়ে যাওয়ার দৃশ্য মূলত আমাদের খাদ্য শৃঙ্খলের বিশৃঙ্খলাকেই সরাসরি প্রতিফলিত করে।


​বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ প্রণীত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে 'নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ'। তবে সমস্যা রয়ে গেছে প্রয়োগ ও ধারাবাহিক তদারকিতে।

​১. উৎসভিত্তিক তদারকির অভাব: খাদ্য প্রস্তুতের পর বাজারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা সাময়িক সমাধান দিলেও উৎপাদনের উৎস—যেমন খামার বা মাঠ পর্যায়ে রাসায়নিকের বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

২. পরীক্ষাগারের অপ্রতুলতা: মাঠ পর্যায়ে বা জেলা স্তরে তাত্ক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষার পর্যাপ্ত আধুনিক ল্যাবরেটরি নেই।

৩. বিচারের দীর্ঘসূত্রতা: মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাময়িক জরিমানা হলেও বড় বড় অসাদুপায় অবলম্বনকারী চক্রগুলো আইনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফাঁক গলে পার পেয়ে যাচ্ছে।

​সংকট উত্তরণের পথ: সমন্বিত কৌশল ও জাতীয় অঙ্গীকার

​খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেবল প্রশাসনিক অভিযান বা জরিমানা দিয়ে স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন 'ফার্ম টু ফোর্ক' (Farm to Fork) নীতিভিত্তিক সমন্বিত মহাপরিকল্পনা:

​উৎসের পূর্ণাঙ্গ ট্রেসেবিলিটি: কৃষিপণ্য ও খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণের পুরো পথটি নজরদারির আওতায় আনতে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালুকরণ।

​কৃষক ও খামারিদের প্রণোদনা: সম্পূর্ণ জৈব সার ও পরিবেশবান্ধব গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস (GAP) অনুসরণের জন্য চাষিদের বিশেষ প্রণোদনা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা।

​ল্যাবরেটরির বিকেন্দ্রীকরণ: প্রতিটি জেলায় দ্রুত খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন করা যাতে সাধারণ নাগরিক বা তদারকি সংস্থা তাৎক্ষণিকভাবে যে কোনো খাবারের উপাদান পরীক্ষা করতে পারে।

​কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: খাদ্যে বিষ মেশানোকে জনস্বাস্থ্যের বিরুদ্ধে 'গুরুতর অপরাধ' হিসেবে গণ্য করে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা।

​নিরাপদ খাদ্য কোনো বিলাসবহুল দাবি নয়, এটি মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার। আজ যদি আমরা ভাতের থালা থেকে এই নীরব ঘাতককে সরাতে না পারি, তবে আগামী দিনের উন্নত অর্থনীতির স্বপ্ন একটি অসুস্থ ও স্থবির প্রজন্মের বোঝা বইতে গিয়ে থমকে দাঁড়াবে। এখনই সময় খাদ্যশৃঙ্খলে শৃঙ্খলা ও নীতি ফিরিয়ে আনার।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


ভাতের থালায় নীরব ঘাতক

প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ণ

featured Image

ভোর হওয়ার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত একজন সুস্থ মানুষের বেঁচে থাকার মূল শক্তি খাবার। অথচ বর্তমানে এই খাবারই যেন রূপ নিয়েছে ধীরগতির বিষে। সকালের এক কাপ চা থেকে শুরু করে রাতের ভাতের থালা—প্রতিটি ধাপে লুকিয়ে রয়েছে ক্ষতিকর রাসায়নিক, কার্বাইড, টেক্সটাইল ডাই ও বিষাক্ত কীটনাশকের উপস্থিতি। খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিকের এই ছদ্মবেশী উপস্থিতি কেবল আইন শৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি এখন দেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য এক মারাত্মক জাতীয় বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে।

​ভেজালের আধুনিক রূপ: ঐতিহ্যবাহী প্রতারণা থেকে বায়ো-কেমিক্যাল বিষক্রিয়া

​একসময় খাদ্যে ভেজালের ধরণ ছিল বেশ সরল—দুধে পানি মেশানো, মরিচের গুঁড়ায় ইটের গুঁড়া কিংবা চা-পাতায় গাছের গুঁড়ো মেশানো। কিন্তু বর্তমানে ভেজালের রূপ বদলে হয়েছে চরমমাত্রায় প্রযুক্তিগত ও প্রাণঘাতী।

​শিল্প কারখানার রং ও রাসায়নিক: মিষ্টান্ন, জিলিপি, এমনকি মৌসুমি ফলে ব্যবহৃত হচ্ছে কাপড়ে রঙ করার টেক্সটাইল ডাই ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যাল।

​কৃত্রিম স্থায়িত্ব বৃদ্ধি (প্রিজারভেটিভস): মাছ, মাংস ও দুধে দ্রুত পচন রোখার নামে ক্ষতিকর ফরমালিন ও বিষাক্ত রাসায়নিক সল্যুশনের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি।

​ফল পাকানো ও উজ্জ্বলতার খেল: অপরিপক্ক ফল দ্রুত পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ও ইথিপ্রোফেন জাতীয় রাসায়নিকের অবাধ ব্যবহার চলছে, যা মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক গঠন বিকৃত করে দিতে সক্ষম।

​

​মাঠ পর্যায়ে শস্য উৎপাদনে বিষ প্রয়োগের যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, তা সবচেয়ে চিন্তার বিষয়। সবজি ও ফলমূল চাষে অতিরিক্ত কীটনাশক ছেটানো হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট 'উইথড্রয়াল পিরিয়ড' (কীটনাশক ছেটানোর পর থেকে ফসল তোলার মধ্যবর্তী নিরাপদ সময়) মানা হচ্ছে না। ফলে সরাসরি বিষাক্ত উপাদান থেকেই যাচ্ছে সবজির গায়ে।

​অন্যদিকে, পোলট্রি ও মাছ চাষে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক ও ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য থেকে তৈরি ফিড। এর ফলে মানবদেহে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR)—যা এমন এক অবস্থা তৈরি করছে যেখানে সাধারণ অসুখেও উচ্চক্ষমতার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ আর কোনো কাজ করছে না।

​জনস্বাস্থ্যে ধস: রুগ্ণ প্রজন্মের নীরব প্রস্তুতি

​স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে অসংক্রামক ব্যাধি (Non-Communicable Diseases) বৃদ্ধির প্রধানতম নিয়ামক এই বিষাক্ত খাবার। লিভার ও কিডনি বিকল হওয়া, পাকস্থলীর ক্যান্সার এবং অকাল হৃদরোগের মতো মারাত্মক ব্যাধি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ার পেছনে খাদ্যের এই রাসায়নিক বিষক্রিয়াই দায়ী।

​শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে এটি জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু জন্মের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়িয়ে দিচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে ক্যান্সার ও কিডনি রোগীর ধারণক্ষমতা পেরিয়ে যাওয়ার দৃশ্য মূলত আমাদের খাদ্য শৃঙ্খলের বিশৃঙ্খলাকেই সরাসরি প্রতিফলিত করে।


​বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ প্রণীত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে 'নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ'। তবে সমস্যা রয়ে গেছে প্রয়োগ ও ধারাবাহিক তদারকিতে।

​১. উৎসভিত্তিক তদারকির অভাব: খাদ্য প্রস্তুতের পর বাজারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা সাময়িক সমাধান দিলেও উৎপাদনের উৎস—যেমন খামার বা মাঠ পর্যায়ে রাসায়নিকের বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

২. পরীক্ষাগারের অপ্রতুলতা: মাঠ পর্যায়ে বা জেলা স্তরে তাত্ক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষার পর্যাপ্ত আধুনিক ল্যাবরেটরি নেই।

৩. বিচারের দীর্ঘসূত্রতা: মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাময়িক জরিমানা হলেও বড় বড় অসাদুপায় অবলম্বনকারী চক্রগুলো আইনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফাঁক গলে পার পেয়ে যাচ্ছে।

​সংকট উত্তরণের পথ: সমন্বিত কৌশল ও জাতীয় অঙ্গীকার

​খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেবল প্রশাসনিক অভিযান বা জরিমানা দিয়ে স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন 'ফার্ম টু ফোর্ক' (Farm to Fork) নীতিভিত্তিক সমন্বিত মহাপরিকল্পনা:

​উৎসের পূর্ণাঙ্গ ট্রেসেবিলিটি: কৃষিপণ্য ও খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণের পুরো পথটি নজরদারির আওতায় আনতে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালুকরণ।

​কৃষক ও খামারিদের প্রণোদনা: সম্পূর্ণ জৈব সার ও পরিবেশবান্ধব গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস (GAP) অনুসরণের জন্য চাষিদের বিশেষ প্রণোদনা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা।

​ল্যাবরেটরির বিকেন্দ্রীকরণ: প্রতিটি জেলায় দ্রুত খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন করা যাতে সাধারণ নাগরিক বা তদারকি সংস্থা তাৎক্ষণিকভাবে যে কোনো খাবারের উপাদান পরীক্ষা করতে পারে।

​কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: খাদ্যে বিষ মেশানোকে জনস্বাস্থ্যের বিরুদ্ধে 'গুরুতর অপরাধ' হিসেবে গণ্য করে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা।

​নিরাপদ খাদ্য কোনো বিলাসবহুল দাবি নয়, এটি মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার। আজ যদি আমরা ভাতের থালা থেকে এই নীরব ঘাতককে সরাতে না পারি, তবে আগামী দিনের উন্নত অর্থনীতির স্বপ্ন একটি অসুস্থ ও স্থবির প্রজন্মের বোঝা বইতে গিয়ে থমকে দাঁড়াবে। এখনই সময় খাদ্যশৃঙ্খলে শৃঙ্খলা ও নীতি ফিরিয়ে আনার।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত
চেয়ারম্যান- মো: এনায়েত হোসেন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর- মো: মনিরুজ্জামান
প্রধান সম্পাদক:
নির্বাহী সম্পাদক-
বার্তা সম্পাদক-

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ভাতের থালায় নীরব ঘাতক
0:00 / 0:00
1x