গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে সিলেটে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, সিলেট মহানগর ও জেলা শাখা।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নগরীর বন্দরবাজার এলাকার কালেক্টর মসজিদের সামনে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিশাল গণমিছিল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের মতামতের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জুলাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের ন্যায্য প্রত্যাশা বাস্তবায়ন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং আইনের শাসন সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে সিলেটে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, সিলেট মহানগর ও জেলা শাখা।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নগরীর বন্দরবাজার এলাকার কালেক্টর মসজিদের সামনে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিশাল গণমিছিল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের মতামতের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জুলাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের ন্যায্য প্রত্যাশা বাস্তবায়ন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং আইনের শাসন সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
