একসময়ে নানা অনিয়ম, হয়রানি, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য এবং দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসতে পরিচিত ছিল। চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার,নিয়মের বাইরে সাক্ষাৎ, মোবাইল ও ব্যাগ সংরক্ষণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার সংস্কৃতি এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানিসহ নানা ঘটনার অভিযোগ ছিল। কিন্তু সেই চিত্রে এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন। জেলার মনির হোসেনের কড়া নজরে কারা অভ্যন্তরের সেই চিত্র বদলে গেছে। খাবার, চিকিৎসা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ থেকে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের দেখা—সবকিছুতেই এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। দুর্নীতি আর অনিয়মে জড়ালেই কারারক্ষীসহ বিভিন্ন কর্মচারীদের ভোগ করতে হচ্ছে শাস্তি। কারাগার, বন্দিদের স্বজন ও সম্প্রতি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত বেশ কয়েকজন সদ্য কারামুক্ত কয়েদিরা সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীদের প্রবেশ থেকে শুরু করে বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ সর্বক্ষেত্রেই নির্ধারিত বিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। আগের মতো কোনো দালালচক্রের আনাগোনা কিংবা নিয়মবহির্ভূত সুযোগ-সুবিধার দৃশ্য চোখে পড়েনি।
কারাবন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য নির্ধারিত সময় ও নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মের বাইরে কাউকে সুযোগ দিচ্ছেন না। দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলেও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানা গেছে। অতীতে অর্থের বিনিময়ে নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়ার অভিযোগ ছিল। বর্তমানে সেই সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এখন কারা বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।
চুয়াডাঙ্গায় জেলা কারাগার সূত্র জানায়, রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ’ এ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে বর্তমান জেলার মনির হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিয়মিত তদারকি, সেবার মান উন্নয়ন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারাগারের ভেতর মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাধ্যতা মূলক, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা করে অনিবার্য শাস্তি হিসেবে জেলখানার ভিতরে পড়ে থাকা গাছের পাতা কুড়াতে হবে, এবং জেলার মনির হোসেনের ব্যক্তিগত বিশেষ উদ্যোগ কারাগারের কর্মকর্তা, কারাবন্দি-যদি মাদকদ্রব্য সেবনের নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে মাদক পাওয়া যায় তথ্যদাতাকে ৫০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এবং কারাগারের প্রতিটি কার্যক্রম যেন বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন। ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তিও উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে।
বিশেষ করে জেলার মনির হোসেনের নেতৃত্বে কারাগারে শান্তি-শৃঙ্খলা সৃষ্টি, কারা মনিটরিং, অসুস্থ বন্দিদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা, কারা ক্যান্টিনে সাশ্রয়ীমূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা, সার্বক্ষণিক তদারকি, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, সর্বোপরি বন্দিদের মৌলিক চাহিদাসমূহ পৌঁছে দিতে আন্তরিক ভাবে কাজ করছেন কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শতভাগ সততায় অবিচল থেকে এই করাগারটিকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত মডেল কারাগারে রূপান্তর করতে রাত দিন কাজ করে যাচ্ছেন বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্ব জেল সুপার মির্জা শহিদুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় জেলার মনির হোসেন।
সদ্য কারামুক্ত বাবু নামের এক কয়েদিরা প্রতিবেদককে জানান, বর্তমানে কারাগারের পরিবেশ বেশ চমৎকার। এখানকার প্রতিটি বন্দিকে সমান সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারাগারে উন্নতমানের খাবার দেয়া হয় এবং খাবারের মধ্যে বৈচিত্র আনয়ন করা হয়েছে । বন্দিরা বলেন আমাদের দেখামতে কোন সিন্ডিকেট বাড়তি কোন সুযোগ সুবিধা আরাম আয়েশে থকাতে না পারে সে জন্য জেলার মনির হোসেন সব সময় সজাগ রয়েছেন। প্রতিদিন তিনি কারাগারের সকল ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন এবং বন্দি কোন সিন্ডিকেটের কারণে কারো অসুবিধা হচ্ছে কি না সে ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। কোন সিন্ডিকেট যেন কোনো প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে না পারে সেজন্য কারারক্ষীদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। কারা কর্তৃপক্ষ খুব সুন্দরভাবে কারাগারে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার নিয়ে গত কয়েকদিন আগে গণমাধ্যমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছিল। এসব অভিযোগের পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদন্ত করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান প্রশাসনের উদ্যোগে কারাগারের পরিবেশে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তা ধরে রাখতে নিয়মিত তদারকি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের কর্মকর্তা জেলার মনির হোসেন বলেন, কারাগার একটি স্পর্শকাতর সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। কাঠামো ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আমার সার্বিক প্রচেষ্টা ও কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় কারাগারের উন্নয়নের চিত্র পাল্টে দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছি। এখানকার সেবার মান বাড়িয়েছি। মাদকের প্রবেশ যাতে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সজাগ রয়েছি। সেজন্য এখানে মাদক সংক্রান্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এক কথায় এটিকে একটি বর্তমানে মাদকমুক্ত জেল বলা চলে। এখানে অনিয়ম-দুর্নীতির কোনো প্রশ্নই আসে না। যদি কারাগারের কোনো সদস্য অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও জানান, কারাবন্দীরা সমাজ ও দেশের বোঝা নয়, কারামুক্ত হলেই তারা হবেন পরিবার ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ। ফেলে আসা অতীতের সব উশৃঙ্খল পথ ছেড়ে আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে এসব হাজতি-কয়েদির কারাভ্যন্তরে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, বিনোদন, প্রশিক্ষণ দানসহ ও করা হচ্ছে জনহিতকর নানা প্রকার মোটিভেশন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ণ
একসময়ে নানা অনিয়ম, হয়রানি, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য এবং দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসতে পরিচিত ছিল। চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার,নিয়মের বাইরে সাক্ষাৎ, মোবাইল ও ব্যাগ সংরক্ষণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার সংস্কৃতি এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানিসহ নানা ঘটনার অভিযোগ ছিল। কিন্তু সেই চিত্রে এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন। জেলার মনির হোসেনের কড়া নজরে কারা অভ্যন্তরের সেই চিত্র বদলে গেছে। খাবার, চিকিৎসা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ থেকে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের দেখা—সবকিছুতেই এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। দুর্নীতি আর অনিয়মে জড়ালেই কারারক্ষীসহ বিভিন্ন কর্মচারীদের ভোগ করতে হচ্ছে শাস্তি। কারাগার, বন্দিদের স্বজন ও সম্প্রতি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত বেশ কয়েকজন সদ্য কারামুক্ত কয়েদিরা সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীদের প্রবেশ থেকে শুরু করে বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ সর্বক্ষেত্রেই নির্ধারিত বিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। আগের মতো কোনো দালালচক্রের আনাগোনা কিংবা নিয়মবহির্ভূত সুযোগ-সুবিধার দৃশ্য চোখে পড়েনি।
কারাবন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য নির্ধারিত সময় ও নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মের বাইরে কাউকে সুযোগ দিচ্ছেন না। দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলেও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানা গেছে। অতীতে অর্থের বিনিময়ে নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়ার অভিযোগ ছিল। বর্তমানে সেই সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এখন কারা বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।
চুয়াডাঙ্গায় জেলা কারাগার সূত্র জানায়, রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ’ এ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে বর্তমান জেলার মনির হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিয়মিত তদারকি, সেবার মান উন্নয়ন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারাগারের ভেতর মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাধ্যতা মূলক, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা করে অনিবার্য শাস্তি হিসেবে জেলখানার ভিতরে পড়ে থাকা গাছের পাতা কুড়াতে হবে, এবং জেলার মনির হোসেনের ব্যক্তিগত বিশেষ উদ্যোগ কারাগারের কর্মকর্তা, কারাবন্দি-যদি মাদকদ্রব্য সেবনের নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে মাদক পাওয়া যায় তথ্যদাতাকে ৫০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এবং কারাগারের প্রতিটি কার্যক্রম যেন বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন। ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তিও উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে।
বিশেষ করে জেলার মনির হোসেনের নেতৃত্বে কারাগারে শান্তি-শৃঙ্খলা সৃষ্টি, কারা মনিটরিং, অসুস্থ বন্দিদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা, কারা ক্যান্টিনে সাশ্রয়ীমূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা, সার্বক্ষণিক তদারকি, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, সর্বোপরি বন্দিদের মৌলিক চাহিদাসমূহ পৌঁছে দিতে আন্তরিক ভাবে কাজ করছেন কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শতভাগ সততায় অবিচল থেকে এই করাগারটিকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত মডেল কারাগারে রূপান্তর করতে রাত দিন কাজ করে যাচ্ছেন বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্ব জেল সুপার মির্জা শহিদুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় জেলার মনির হোসেন।
সদ্য কারামুক্ত বাবু নামের এক কয়েদিরা প্রতিবেদককে জানান, বর্তমানে কারাগারের পরিবেশ বেশ চমৎকার। এখানকার প্রতিটি বন্দিকে সমান সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারাগারে উন্নতমানের খাবার দেয়া হয় এবং খাবারের মধ্যে বৈচিত্র আনয়ন করা হয়েছে । বন্দিরা বলেন আমাদের দেখামতে কোন সিন্ডিকেট বাড়তি কোন সুযোগ সুবিধা আরাম আয়েশে থকাতে না পারে সে জন্য জেলার মনির হোসেন সব সময় সজাগ রয়েছেন। প্রতিদিন তিনি কারাগারের সকল ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন এবং বন্দি কোন সিন্ডিকেটের কারণে কারো অসুবিধা হচ্ছে কি না সে ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। কোন সিন্ডিকেট যেন কোনো প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে না পারে সেজন্য কারারক্ষীদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। কারা কর্তৃপক্ষ খুব সুন্দরভাবে কারাগারে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার নিয়ে গত কয়েকদিন আগে গণমাধ্যমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছিল। এসব অভিযোগের পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদন্ত করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান প্রশাসনের উদ্যোগে কারাগারের পরিবেশে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তা ধরে রাখতে নিয়মিত তদারকি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের কর্মকর্তা জেলার মনির হোসেন বলেন, কারাগার একটি স্পর্শকাতর সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। কাঠামো ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আমার সার্বিক প্রচেষ্টা ও কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় কারাগারের উন্নয়নের চিত্র পাল্টে দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছি। এখানকার সেবার মান বাড়িয়েছি। মাদকের প্রবেশ যাতে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সজাগ রয়েছি। সেজন্য এখানে মাদক সংক্রান্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এক কথায় এটিকে একটি বর্তমানে মাদকমুক্ত জেল বলা চলে। এখানে অনিয়ম-দুর্নীতির কোনো প্রশ্নই আসে না। যদি কারাগারের কোনো সদস্য অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও জানান, কারাবন্দীরা সমাজ ও দেশের বোঝা নয়, কারামুক্ত হলেই তারা হবেন পরিবার ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ। ফেলে আসা অতীতের সব উশৃঙ্খল পথ ছেড়ে আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে এসব হাজতি-কয়েদির কারাভ্যন্তরে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, বিনোদন, প্রশিক্ষণ দানসহ ও করা হচ্ছে জনহিতকর নানা প্রকার মোটিভেশন।
