প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও যাচাই প্রক্রিয়ায় যে কঠোর গোপনীয়তা এবং সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ থাকার কথা, তা কি সঠিকভাবে মানা হয়েছে? এই প্রশ্নটি এখন প্রতিটি অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর মনে। দায়ীদের সাময়িক বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ তাদের দায়বদ্ধতার জায়গাটি স্পষ্ট করার চেষ্টা করলেও, দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য প্রয়োজন প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারীদের যোগ্যতা ও দায়বদ্ধতার যথাযথ অডিট। কেবল বরখাস্ত নয়, বরং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে এই গাফিলতির মূল কারণ উদঘাটন জরুরি।
শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর প্রদান সাময়িক স্বস্তি দিলেও এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। প্রশ্নপত্রে ভুল থাকার ফলে পরীক্ষার্থীরা যে মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে গেছে, তার দায় কে নেবে? পদার্থবিজ্ঞানের মতো একটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা মানে—শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রস্তুতির ওপর এক প্রকার আঘাত। কর্তৃপক্ষকে মনে রাখতে হবে, প্রতিটি নম্বর একজন শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার গঠনে নিয়ামক ভূমিকা পালন করে। তাই পূর্ণ নম্বর প্রদান করে তাদের ক্ষতির কিছুটা পূরণ করা হলেও, ভবিষ্যতে যেন এমন "ভুল সংস্কৃতি" আর দানা বাঁধতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই হবে প্রকৃত সফলতা।
শিক্ষক জাতি গড়ার কারিগর। সেই শিক্ষক বা সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে যখন এমন চরম অবহেলা পাওয়া যায়, তখন সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়। আমরা প্রত্যাশা করি, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রশ্ন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় আমূল সংস্কার আনবে। প্রযুক্তিনির্ভর স্বচ্ছ মনিটরিং এবং দক্ষ মডারেশন কমিটির মাধ্যমেই কেবল এমন বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার মান অক্ষুণ্ণ রাখতে কঠোর প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।
মোঃ সোহেল
কলামিস্ট ও সাংবাদিক।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও যাচাই প্রক্রিয়ায় যে কঠোর গোপনীয়তা এবং সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ থাকার কথা, তা কি সঠিকভাবে মানা হয়েছে? এই প্রশ্নটি এখন প্রতিটি অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর মনে। দায়ীদের সাময়িক বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ তাদের দায়বদ্ধতার জায়গাটি স্পষ্ট করার চেষ্টা করলেও, দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য প্রয়োজন প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারীদের যোগ্যতা ও দায়বদ্ধতার যথাযথ অডিট। কেবল বরখাস্ত নয়, বরং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে এই গাফিলতির মূল কারণ উদঘাটন জরুরি।
শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর প্রদান সাময়িক স্বস্তি দিলেও এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। প্রশ্নপত্রে ভুল থাকার ফলে পরীক্ষার্থীরা যে মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে গেছে, তার দায় কে নেবে? পদার্থবিজ্ঞানের মতো একটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা মানে—শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রস্তুতির ওপর এক প্রকার আঘাত। কর্তৃপক্ষকে মনে রাখতে হবে, প্রতিটি নম্বর একজন শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার গঠনে নিয়ামক ভূমিকা পালন করে। তাই পূর্ণ নম্বর প্রদান করে তাদের ক্ষতির কিছুটা পূরণ করা হলেও, ভবিষ্যতে যেন এমন "ভুল সংস্কৃতি" আর দানা বাঁধতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই হবে প্রকৃত সফলতা।
শিক্ষক জাতি গড়ার কারিগর। সেই শিক্ষক বা সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে যখন এমন চরম অবহেলা পাওয়া যায়, তখন সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়। আমরা প্রত্যাশা করি, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রশ্ন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় আমূল সংস্কার আনবে। প্রযুক্তিনির্ভর স্বচ্ছ মনিটরিং এবং দক্ষ মডারেশন কমিটির মাধ্যমেই কেবল এমন বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার মান অক্ষুণ্ণ রাখতে কঠোর প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।
মোঃ সোহেল
কলামিস্ট ও সাংবাদিক।
