চুয়াডাঙ্গায় জুলাই শহিদ দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মৃতি, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং দিবসটি ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের লক্ষ্যে এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
সভায় জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, ‘জুলাই শহিদ দিবস’ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়, এটি আত্মত্যাগ, সাহস ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্মারক। দিবসটি সর্বোচ্চ মর্যাদা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে পালন করতে হবে। সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় রেখে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় দিবসটি সুষ্ঠু, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণভাবে উদযাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচি, সার্বিক প্রস্তুতি, বিভিন্ন দপ্তরের করণীয় এবং সমন্বয়মূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যগণ, সম্মুখ সারির জুলাই যোদ্ধাবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সকল অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
তিনি জানান, ১৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় কর্মসূচির আলোকে বিভিন্ন আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে থাকবে শহিদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন, এক মিনিট নীরবতা পালন, আলোচনা সভা, শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা, গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা এবং গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি। পাশাপাশি সরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, কালো পতাকা উত্তোলন এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে
উল্লেখ্য, সরকার ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহিদ দিবস’ এবং ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ উপলক্ষে সারা দেশে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
চুয়াডাঙ্গায় জুলাই শহিদ দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মৃতি, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং দিবসটি ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের লক্ষ্যে এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
সভায় জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, ‘জুলাই শহিদ দিবস’ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়, এটি আত্মত্যাগ, সাহস ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্মারক। দিবসটি সর্বোচ্চ মর্যাদা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে পালন করতে হবে। সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় রেখে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় দিবসটি সুষ্ঠু, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণভাবে উদযাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচি, সার্বিক প্রস্তুতি, বিভিন্ন দপ্তরের করণীয় এবং সমন্বয়মূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যগণ, সম্মুখ সারির জুলাই যোদ্ধাবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সকল অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
তিনি জানান, ১৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় কর্মসূচির আলোকে বিভিন্ন আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে থাকবে শহিদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন, এক মিনিট নীরবতা পালন, আলোচনা সভা, শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা, গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা এবং গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি। পাশাপাশি সরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, কালো পতাকা উত্তোলন এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে
উল্লেখ্য, সরকার ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহিদ দিবস’ এবং ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ উপলক্ষে সারা দেশে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
