খুলনা বিভাগে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ১০ জেলায় আরও ৪৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সময়সীমা. ১১ জুলাই সকাল ৮টা থেকে ১২ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী বা হামজনিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন সন্দেহজনক রোগী পাওয়া গেছে বাগেরহাট জেলায়। খুলনা ও মাগুরা জেলায় ৯ জন করে, ঝিনাইদহে ৫ জন, নড়াইলে ৪ জন, যশোর ও কুষ্টিয়ায় ৩ জন করে রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে ২ জন করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলায় এই ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো সন্দেহজনক রোগী পাওয়া যায়নি।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১২ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত দীর্ঘ চার মাসের তথ্য পর্যালোচনা করে স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এই সময়ে খুলনা বিভাগে মোট ৭ হাজার ৭৩৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৭ হাজার ২৯৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে ৭ হাজার ৩৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই সময়ে ৩০ জন সন্দেহজনক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
একই সময়ে বিভাগজুড়ে ২৪৩ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হলেও নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যু ঘটেনি বলে স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সঠিক সময়ে টিকাদান ও সচেতনতাই এর বিস্তার রোধের প্রধান উপায়।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। শরীরে জ্বর, গায়ে লালচে ফুসকুড়ি, চোখ লাল হওয়া বা কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ৯ মাস বয়স থেকে শিশুদের হামের টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ণ
খুলনা বিভাগে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ১০ জেলায় আরও ৪৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সময়সীমা. ১১ জুলাই সকাল ৮টা থেকে ১২ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী বা হামজনিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন সন্দেহজনক রোগী পাওয়া গেছে বাগেরহাট জেলায়। খুলনা ও মাগুরা জেলায় ৯ জন করে, ঝিনাইদহে ৫ জন, নড়াইলে ৪ জন, যশোর ও কুষ্টিয়ায় ৩ জন করে রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে ২ জন করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলায় এই ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো সন্দেহজনক রোগী পাওয়া যায়নি।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১২ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত দীর্ঘ চার মাসের তথ্য পর্যালোচনা করে স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এই সময়ে খুলনা বিভাগে মোট ৭ হাজার ৭৩৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৭ হাজার ২৯৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে ৭ হাজার ৩৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই সময়ে ৩০ জন সন্দেহজনক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
একই সময়ে বিভাগজুড়ে ২৪৩ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হলেও নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যু ঘটেনি বলে স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সঠিক সময়ে টিকাদান ও সচেতনতাই এর বিস্তার রোধের প্রধান উপায়।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। শরীরে জ্বর, গায়ে লালচে ফুসকুড়ি, চোখ লাল হওয়া বা কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ৯ মাস বয়স থেকে শিশুদের হামের টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
