ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টির ফলেই বিদ্যালয়ের প্রথম তলার পুরো চত্বর এবং বারান্দায় প্রায় হাঁটু সমান পানি জমে গেছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ যেন একটি কৃত্রিম খালের রূপ ধারণ করেছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বারান্দায় বা মেঝেতে পা ফেলার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। তারা প্লাবিত বারান্দায়
বিদ্যালয়ের প্রথম তলার চারটি শ্রেণিকক্ষের প্রতিটির অবস্থাই অত্যন্ত নাজুক। কক্ষগুলোর ছাদ ও চালের বাঁশের চাটাই ও টিনের কাঠামো নষ্ট ও ফুটো হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি সরাসরি সিলিং চুয়ে নিচে বেঞ্চ ও মেঝের ওপর পড়ছে। পুরো ক্লাসরুমের মেঝে পানিতে সিক্ত এবং স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষেই শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
শ্রেণিকক্ষে পানি পড়া এবং পুরো কম্পাউন্ড জলমগ্ন থাকায় বিদ্যালয়টিতে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অংশ নিতে পারছে না। যেখানে শিশুদের জন্য একটি আনন্দঘন এবং নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের কথা, সেখানে তারা এক আতঙ্ক ও অস্বস্তিকর পরিবেশের মুখোমুখি হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
"সামান্য বৃষ্টি হলেই বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। ক্লাসরুমের ভেতরে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়, আবার পুরো বারান্দায় পানি জমে থাকে। এভাবে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলতে পারে না।"
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টির ফলেই বিদ্যালয়ের প্রথম তলার পুরো চত্বর এবং বারান্দায় প্রায় হাঁটু সমান পানি জমে গেছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ যেন একটি কৃত্রিম খালের রূপ ধারণ করেছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বারান্দায় বা মেঝেতে পা ফেলার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। তারা প্লাবিত বারান্দায়
বিদ্যালয়ের প্রথম তলার চারটি শ্রেণিকক্ষের প্রতিটির অবস্থাই অত্যন্ত নাজুক। কক্ষগুলোর ছাদ ও চালের বাঁশের চাটাই ও টিনের কাঠামো নষ্ট ও ফুটো হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি সরাসরি সিলিং চুয়ে নিচে বেঞ্চ ও মেঝের ওপর পড়ছে। পুরো ক্লাসরুমের মেঝে পানিতে সিক্ত এবং স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষেই শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
শ্রেণিকক্ষে পানি পড়া এবং পুরো কম্পাউন্ড জলমগ্ন থাকায় বিদ্যালয়টিতে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অংশ নিতে পারছে না। যেখানে শিশুদের জন্য একটি আনন্দঘন এবং নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের কথা, সেখানে তারা এক আতঙ্ক ও অস্বস্তিকর পরিবেশের মুখোমুখি হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
"সামান্য বৃষ্টি হলেই বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। ক্লাসরুমের ভেতরে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়, আবার পুরো বারান্দায় পানি জমে থাকে। এভাবে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলতে পারে না।"
