খুলনা-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গায়। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা জয়নাল, আরিফ, ওবায়দুরের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। অপর দুজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত সাতজন। দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে ছয়টি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার ১১ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে খুলনাগামী ডিমবোঝাই একটি ট্রাক হঠাৎ চাকা ফেটে সড়কে উল্টে যায়। ট্রাকভর্তি ডিম ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন সেগুলো কুড়াতে সড়কে নেমে আসেন।
ঠিক তখনই ঢাকা থেকে নড়াইলগামী নড়াইল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে দাঁড়ানো মানুষদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটে। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা, ফরিদপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেন। একপর্যায়ে তারা অন্তত ছয়টি গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেন। আগুনের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলালউদ্দিন দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতের সংখ্যা পাঁচজন। আহতদের চিকিৎসা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে কাজ করছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ণ
খুলনা-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গায়। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা জয়নাল, আরিফ, ওবায়দুরের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। অপর দুজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত সাতজন। দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে ছয়টি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার ১১ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে খুলনাগামী ডিমবোঝাই একটি ট্রাক হঠাৎ চাকা ফেটে সড়কে উল্টে যায়। ট্রাকভর্তি ডিম ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন সেগুলো কুড়াতে সড়কে নেমে আসেন।
ঠিক তখনই ঢাকা থেকে নড়াইলগামী নড়াইল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে দাঁড়ানো মানুষদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটে। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা, ফরিদপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেন। একপর্যায়ে তারা অন্তত ছয়টি গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেন। আগুনের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলালউদ্দিন দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতের সংখ্যা পাঁচজন। আহতদের চিকিৎসা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে কাজ করছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
